বর্ষাকালে জলস্তর নামতেই এলাকা জুড়ে ভাঙ্গনের ফলে খাড়ি সংলগ্ন জনবসতির ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে থাকে প্রতি বছর। বিশেষত খারির ধারে গড়ে ওঠা এ কে গোপালন কলোনির প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার এই সমস্যায় ভোগে সবথেকে বেশি।
আরও পড়ুন: সকালের চা মানেই সিটিসি! কিন্তু জানেন কি, কত জলঘোলা করে এই চা পৌঁছায় আপনার পেয়ালায়
advertisement
আত্রেয়ি খাড়ি মূলত শহরের জল নিকাশি ব্যবস্থার প্রধান স্তম্ভ। সারা বছর বিভিন্ন হাই ড্রেনের মাধ্যমে জল নিয়ে এসে এই খাড়িতেই ফেলা হয়েছে। ডাঙ্গা ফরেস্টের কাছ থেকে এই খাড়ির উৎপত্তি। শেষ হয়েছে আত্রেয়ি নদীতে। প্রতিবার বর্ষাকালে বালুরঘাট ব্লকের পূর্ব দিকের কৃষি জমির সমস্ত জল এই খাড়ি দিয়ে নদীতে এসে পড়ে। আবার নদীর জল স্তর বেড়ে গেলে আত্রেয়ি নদী থেকে জল এই খাড়িতে ঢুকে যায় যা শুখা মরশুমে কৃষি কাজে ব্যবহার করেন কৃষকরা। জলস্তর বৃদ্ধি পায় খাড়িতে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জল বাড়া থেকে সমস্যা শুরু। জল নেমে যেতেই ভাঙতে শুরু করে বাড়িঘর। এই সমস্যা থেকে সমাধান চেয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন। কিন্তু সেই সমস্যার সমাধান করতে কেউ এগিয়ে আসেনি। পরবর্তী সময়ে বর্তমান পৌর বোর্ড ১ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে এই কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণের জন্য। মূলত আত্রেয়ি নদী ও জনবসতির মাঝখানে কংক্রিটের ওয়াল তুলে দিয়ে ভূমিধসকে আটকানো প্রাথমিক লক্ষ্য। পরবর্তী সময়ে এই গার্ডওয়াল বরাবর রাস্তা ও সৌন্দর্যায়নের প্রকল্প নিতে চলেছে পুরসভা। স্থানীয়দের সমস্যার কথা মাথায় রেখে খাড়ি সংলগ্ন এলাকায় বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হওয়াতে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা।
সুস্মিতা গোস্বামী





