হিঙ্গলগঞ্জ -এর দুলদুলি এলাকার সুন্দরবনে রায়মঙ্গল নদীর তীরে বর্মন বাড়ির চড়ক পূজা প্রতিবছর বৈশাখ মাসের শেষে অনুষ্ঠিত হয়। আর যাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী এই অকাল চড়ক পূজায় মেতে ওঠেন।
বসিরহাট: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে চড়ক বাংলা চৈত্র মাসের শেষে সাধারণত উদযাপন হয়। কিন্তু বৈশাখের শেষে অকাল চড়ক উৎসবে মেতে উঠল সুন্দরবন এলাকার মানুষ। তবে এই অকাল চড়ক পূজা শুধু এ বছরই নয়, বহু বছর ধরে এভাবেই বৈশাখের শেষে চড়ক পূজা করে আসছেন এই এলাকার মানুষ।
advertisement
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জ -এর দুলদুলি এলাকার সুন্দরবনে রায়মঙ্গল নদীর তীরে বর্মন বাড়ির চড়ক পূজা প্রতিবছর বৈশাখ মাসের শেষে অনুষ্ঠিত হয়। আর যাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী এই অকাল চড়ক পূজায় মেতে ওঠেন। গ্রাম বাংলার অনেক জায়গায়ই ধর্ম চড়কের পুজো হয় বৈশাখের সংক্রান্তিতে।
advertisement
তবে দুলদুলির এই চড়কের বিশেষ আকর্ষণ ‘জল সন্ন্যাস’। হিঙ্গলগঞ্জের বর্মন বাড়ির এই চড়ক উপলক্ষে রায়মঙ্গল নদীতে মহাদেবকে মাথায় নিয়ে কয়েক ঘণ্টা নদী সাঁতরে অপর পাড়ে গিয়ে এলাকায় ভিক্ষা করে তবেই চড়কে অংশগ্রহণ করেন সন্ন্যাসীরা। আর রায়মঙ্গল নদীতে সন্ন্যাসীদের জল সাঁতারের এই দৃশ্য দেখতে নদীর দু’পাড়ে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায় এলাকাবাসী থেকে সুন্দরবন অঞ্চলের সাধারণ মানুষের। বিশাল এই রায়মঙ্গল পেরিয়ে ১৮ থেকে ২০ জন ভক্ত ভিক্ষা করেন বাড়ি বাড়ি। আর এই বিশেষ ধর্ম চড়কে মেতে ওঠে গোটা হিঙ্গলগঞ্জ।