রাজনীতিতে অনেক সময় বড় নাম আর পুরনো চেহারাগুলোই আলোচনায় থাকে, কিন্তু কখনও কখনও এমন কেউ সামনে আসে যার গল্প একদম আলাদা রকমের অনুপ্রেরণা দেয়। অশোক মিত্তল সেই নামগুলোর মধ্যে একজন। এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে শিক্ষা জগতে নিজের পরিচয় তৈরি করা আর তারপর রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়া সহজ কাজ না। আম আদমি পার্টি (AAP) যখন রাজ্যসভায় তাঁকে বড় ভূমিকা দিয়েছে, এটা শুধু একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল না, বরং এটা সেই ভাবনারও ইঙ্গিত দেয় যেখানে শিক্ষা আর অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অশোক মিত্তলের যাত্রা এটা দেখায় যে, সাফল্য শুধু রাজনীতিতেই না বরং সমাজের যেকোনও ক্ষেত্রে কাজ করেও পাওয়া যায়।
advertisement
আপের বরাদ্দ সময় থেকে বলার জন্য সময়ও দেওয়া হবে না চাড্ডাকে। নতুন ডেপুটি লিডার অশোক মিত্তল দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ। তবে রাঘবকে সরানোর পাশাপাশি যেভাবে তাঁকে বলতে সময় না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে, সেটা রাঘবের জন্য বড় ধাক্কা।
ইতিমধ্যেই এই পরিবর্তনের বিষয়ে রাজ্যসভা সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে বলেও সূত্রের দাবি। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলিতে চাড্ডার নীরবতা এবং অনুপস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। ফলে তাঁর পদচ্যুতি কি শুধুই সাংগঠনিক রদবদল, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তা—তা নিয়েই চলছে আলোচনা।
মজার ব্যাপার হল, অশোক মিত্তলের শুরুটা কোনও বড় ইন্ডাস্ট্রি বা উত্তরাধিকার থেকে হয়নি, বরং একটা ছোট মিষ্টির ব্যবসা থেকে হয়েছিল। আজ সেই মানুষ রাঘব চাড্ডা-এর মতো পরিচিত নেতা-র জায়গা নিচ্ছে। এই পরিবর্তন দেখায়, রাজনীতিতে এখন প্রফেশনাল আর শিক্ষা ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত মানুষরাও দ্রুত জায়গা করে নিচ্ছে। অশোক মিত্তল-এর নাম তাই আরও বিশেষ হয়ে যায় কারণ তিনি লাখ লাখ যুবকের ভবিষ্যতকে দিশা দেওয়ার কাজ করেছেন।
