যুক্তরাজ্যের আয়োজিত এই বৈঠকে প্রায় ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। বৈঠকের নেতৃত্ব দেবেন ব্রিটিশ বিদেশ সচিব ইভেট কুপার (ইয়েভেট কুপার)। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউনাইটেড আরব এমিরেটস)-সহ একাধিক দেশ এতে অংশ নেবে। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে আমেরিকা এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না।
advertisement
পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল জানালেন, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশ নেবেন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি৷ তিনি বলেন, “ইউনাইটেড কিংডম একাধিক দেশকে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বৈঠক করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে৷ এর মধ্যে ভারতও রয়েছে৷ আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করে আজ সন্ধ্যায় এই বৈঠকে অংশ নেবেন বিদেশ সচিব৷’’
এই বৈঠকটি এমন সময়ে হচ্ছে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা সেইসব দেশের দায়িত্ব, যারা এর উপর নির্ভরশীল। তিনি আরও জানান, এই পথ “স্বাভাবিকভাবেই” আবার খুলে যেতে পারে এবং অন্যান্য দেশগুলিকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান এই প্রণালী অবরুদ্ধ করে। বিশ্বব্যাপী প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ এই পথ দিয়ে হয়, ফলে এই বাধার বড় প্রভাব পড়েছে। জ্বালানির দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উপর চাপ বাড়ছে, যাতে দ্রুত স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল পুনরুদ্ধার করা যায়।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে “সমস্ত সম্ভাব্য কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ” নিয়ে আলোচনা করা হবে। তিনি স্বীকার করেছেন, এই পথ পুনরায় চালু করা কঠিন হবে এবং এর জন্য সামরিক ও কূটনৈতিক—দুই ধরনের সমন্বয় প্রয়োজন হবে।
