এর পাশাপাশি, নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী,যখন কোনও সরকারি অনুষ্ঠান অথবা স্কুলে জাতীয় সঙ্গীত এবং জাতীয় গান একসঙ্গে গাওয়া হবে, সেক্ষেত্রে, জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-র আগে গাওয়া বা বাজানো হবে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’৷
advertisement
নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ৬টি স্তবকই গাওয়া হবে এবার থেকে৷ ১৯৩৭ সালে কংগ্রেস গানের যে চারটি স্তবক বাদ দিয়েছিল, সেগুলিও এবার থেকে সরকারি সংস্করণের অংশ৷
জাতীয় গান বন্দে মাতরম এখন পদ্ম পুরস্কার বিতরণীর মতো অনুষ্ঠানে গাওয়া হবে৷ যে যে সরকারি অনুষ্ঠান যেখানে রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকবেন, সেখানে তাঁর ঢোকা এবং বেরনোর সময় বাজানো হবে জাতীয় গান৷ সিনেমা হ’ল, থিয়েটারের মতো পাবলিক প্লেসেও ‘বন্দে মাতরম’ চালানো হবে৷ তবে এক্ষেত্রে উঠে দাঁড়ানো বাধ্যতামূলক নয়৷
নতুন নির্দেশিকায় স্কুলগুলিকে বিশেষ ভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা পড়ুয়াদের মনে জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় গান এবং জাতীয় পতাকার শ্রদ্ধাশীল মনোভাব উদ্রেক করতে সহায়তা করে৷
বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর উপলক্ষে জাতীয় গান নিয়ে বিশেষ পদক্ষেপ করার বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ ১৯৩৭ সালে গানের কেবলমাত্র ২টি পদক্ষেপ বেছে নেওয়া নিয়ে সংসদে বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল তর্কও হয়েছে৷
আরও পড়ুন: এপ্রিল মাসেই রাজ্যে চার দফায় হতে পারে বিধানসভা ভোট, এপ্রিলেই ফল! খবর কমিশন সূত্রে
ক’দিন আগে জাতীয় গানের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, এই গানের সুর এবং কথা সবকিছুর ঊর্ধ্বে৷ তাঁর কথায়, ‘‘বন্দে মাতরম কোনও গান নয়, এটি একটি মন্ত্র৷’’ এই গানকে কালজয়ী শক্তি হিসাবে বর্ণনা করেন মোদি৷ জানান, এই সঙ্গীত দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এবং প্রজন্মের মানুষকে একত্রিত করে৷ এই গানই ভারতের শক্তি ও বহুত্বের প্রতীক৷ এমনকি, ১৯৩৭ সালে এই গানের বিশেষ কিছু স্তবক বেছে নেওয়ার জেরে ভারতীয়দের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছিল বলে এদিন মন্তব্য করেন মোদি, জানান, সেই সিদ্ধান্তেই ভবিষ্যতের দেশভাগের বীজ রোপণ করা হয়েছিল৷
জাতীয় গানের সার্ধ শতবর্ষের পূর্তি হিসাবে একটি স্ট্যাম্প এবং মুদ্রার প্রকাশিত হয়েছে৷ চলছে ১ বর্ষ ব্যাপী উদযাপন অনুষ্ঠান৷
