বাংলার স্বাদ :
যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট হল সম্প্রতি চালু হওয়া আমিষ খাবার। খাবার যে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র, তা উপলব্ধি করে ভারতীয় রেল এমন একটি মেনু তৈরি করেছে যা ঘরের তৈরি খাবারের স্বাদ মনে করিয়ে দেয়। ট্রেনটিতে উচ্চমানের নিরামিষ খাবারের ব্যবস্থা থাকলেও, নতুন যুক্ত হওয়া আমিষ পদগুলো ইতিমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
advertisement
কী কী থাকছে :
• প্রধান কোর্স: সুগন্ধি কড়াইশুঁটির পোলাও, মুচমুচে ভাজা এবং ঐতিহ্যবাহী ভাজা মুগ ডাল।
• বাঙালির পছন্দ: নরম তুলতুলে পরোটার সঙ্গে নিরামিষাশীদের জন্য সুস্বাদু ছানার ডালনা অথবা আমিষপ্রিয়দের জন্য ঝাল-ঝাল কড়াই চিকেন।
• মিষ্টি মুখ: ক্ষীরকদম ছাড়া কোনও বাঙালির ভোজই সম্পূর্ণ হয় না, যা এই বিশ্বমানের যাত্রায় ভোজন শেষে আছে মিষ্টিমুখের সুযোগও।
এই উদ্যোগটি প্রমাণ করে যে ভারতীয় রেল পশ্চিমবঙ্গবাসীর খাদ্যভ্যাসকে কতটা গুরুত্ব দেয়। যাত্রীদের প্রতিক্রিয়াও অভূতপূর্ব। তাঁরা এই পদক্ষেপকে ট্রেনের “মুকুটে আরও একটি পালক” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই ট্রেন ইতিমধ্যেই আরাম ও নিরাপত্তার দিক থেকে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
আরও পড়ুন : কামাখ্যা–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসে যাত্রীদের উচ্ছ্বাস! আরাম ও সময়ানুবর্তিতায় প্রশংসার জোয়ার
পাশাপাশি “সোনার বাংলা” গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসতে ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট রাজ্যকে আরও একটি চমৎকার উপহার দিয়েছে। রেলমন্ত্রী শিলিগুড়ি থেকে বারাণসী পর্যন্ত একটি হাই-স্পিড রেল করিডোর (বুলেট ট্রেন করিডোর) ঘোষণা করেছেন। আসন্ন এই করিডোরটি গেম-চেঞ্জার হতে চলেছে, যা ভ্রমণের সময় ৩ ঘণ্টারও বেশি কমিয়ে দেবে। উত্তরবঙ্গকে ভারতের আধ্যাত্মিক কেন্দ্র বারাণসীর সঙ্গে বিদ্যুৎগতির ট্রেন দ্বারা যুক্ত করার মাধ্যমে সরকার নিশ্চিত করছে যে, ভারতের অর্থনৈতিক ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গ যেন সামনের সারিতে থাকে।
