মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান এদিন তথ্য দিয়ে আদালতকে জানান, “নাম যুক্ত হওয়ার হার ৫৫%। বাদ দেওয়ার হার ৪৫%। নাম বাদ যাওয়ার হার অত্যন্ত বেশি। ফলে ট্রাইবুনালের হাতে বড় দায়িত্ব রয়েছে। কারণ সংখ্যাটা বিপুল। অথচ এরা সবাই ম্যাপড ভোটার।”
advertisement
উত্তরে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত অবশ্য স্পষ্ট জানান, “এ বিষয়ে আমরা মন্তব্য করব না। কারণ এক পক্ষ বলবে এই বাদ যাওয়াটা ‘বৈধ’ বাকিরা বলবেন এরা ‘অবৈধ’। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এরপরেই বলেন, “আমরা কোনও বিচারক বা বিচারপতিদের দোষ দিইনি। দয়া করে ভুল বুঝবেন না।” উত্তরে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন— আমরা আপনার মাধ্যমে বাকি আইনজীবীদের জানানোর জন্য বলছি।”
পরবর্তী শুনানি, ৬ এপ্রিল রাখার আবেদন জানান শ্যাম দিওয়ান। সূর্যকান্ত তাঁর পর্যবেক্ষণে এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন— “আমরা ভাবছি ৭ তারিখ বিকেল ৪টেয় মামলার শুনানি করব। কারণ, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, ৭ তারিখের মধ্যে গোটা প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে।”
মেনকা গুরুস্বামী— এজিকে অনুমতি দেওয়া হোক রিপ্রেজেন্টেশন দেওয়ার জন্য।
সূর্যকান্ত— আমরা কোনও মন্তব্য করব না। কারণ ট্রাইবুনালের সদস্যরা যথেষ্ট সমর্থ।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়— আমি অনুরোধ করব বাকি সময়টা ডঃ মেনকা গুরুস্বামী যেন কলকাতায় থাকেন।
সূর্যকান্ত— আমরা অনেকটাই খুশী কাজের গতিতে। ৪৫ লাখের নিষ্পত্তি হয়েছে। আমাদের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন ৭ এপ্রিলের মধ্যে সব অ্যাডজুডিকেশনের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।
অন্যদিকে আদালতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি মন্তব্য করেন, “বৈধ ভোটারের ভোটদান সাংবিধানিক অধিকার। ট্রাইবুনাল থেকে কেউ বৈধ ভোটার হয়ে ফেরেন তাদের ভোটাধিকার যেন কাড়া না হয়। কোনও অবৈধ ভোটারও যেন ভোট না দেন।”
বিচারপতি বাগচী প্রশ্ন তোলেন, “২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বেরোনোর পর কীভাবে সেখানে নাম সংযুক্ত হয়? চূড়ান্ত তালিকার সঙ্গে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে বলে সুপ্রিম কোর্ট। অ্যাডজুড়িকেশন নিষ্পত্তি না হওয়ার কারণে৷ তাহলে এখন নতুন ভোটারের নাম করে নাম উঠবে কেন ফর্ম ৬ মাধ্যমে?”
