কন্ডোম তৈরির ক্ষেত্রে প্রধানত দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ব্যবহৃত হয়—সিলিকন অয়েল (লুব্রিকেন্ট হিসেবে) এবং অ্যামোনিয়া (ল্যাটেক্স স্থিতিশীল রাখতে)। বর্তমানে সিলিকন অয়েলের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যার ফলে বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি অ্যামোনিয়ার দাম ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর সঙ্গে পিভিসি ও অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের মতো প্যাকেজিং উপকরণের দামও বেড়েছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ভোটার তালিকা থেকে শতাধিক নাম বাদ, ভগবানগোলায় বিক্ষোভে উত্তেজনা—ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি
এই পরিস্থিতিতে চাপে পড়েছে দেশের বড় বড় সংস্থাগুলি। রাষ্ট্রায়ত্ত HL L Lifecare, Mankind Pharma এবং Cupid-এর মতো সংস্থাগুলিও সরবরাহ সংকট ও খরচ বৃদ্ধির সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। শিল্প সূত্রে জানা গিয়েছে, কাঁচামালের অভাব ও দামের অস্থিরতার কারণে উৎপাদন ও সরবরাহ—দু’দিকেই সমস্যা তৈরি হয়েছে।
সরকারি স্তরেও পেট্রোকেমিক্যাল সম্পদের বণ্টনে অগ্রাধিকার বদলানোর ইঙ্গিত মিলেছে। গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরবরাহ বাড়াতে অন্যান্য শিল্পে প্রায় ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত কাঁচামাল কমিয়ে দেওয়া হতে পারে, যার ফলে কন্ডোম শিল্পে সংকট আরও গভীর হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকট শুধুমাত্র শিল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর সামাজিক প্রভাবও পড়তে পারে। ভারতে কন্ডোম বাজার মূলত কম দামে বেশি বিক্রির উপর নির্ভরশীল। ফলে দাম বাড়লে ব্যবহার কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে।
