প্রসঙ্গত, ডেরা সচ্চা সৌদা প্রধান রাম রহিমের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে৷ নিহত সাংবাদিক রামচন্দ্র ছত্রপতির সংবাদপত্রে একটি বেনামী চিঠি প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে অভিযোগ করা হয় যে ডেরায় সন্ন্যাসিনী (সাধ্বী) হিসেবে যোগ দেওয়া নারীদের যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ করা হত এবং সেই অপরাধে ডেরা প্রধানের নাম উঠে আসে। এই বেনামী চিঠি প্রকাশের মাসখানেক পরেই নিজের বাড়িতে গুলি করে খুন করা হয় সাংবাদিককে৷
advertisement
এই মামলায় ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারি পঞ্চকুলার একটি বিশেষ সিবিআই আদালত গুরমিত রাম রহিম সিং-সহ আরও তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করে। পরে একই বছরেই রাম রহিম ও অন্য অভিযুক্তরা এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আপিল করেন এবং দাবি করেন যে তাঁদের মিথ্যা ভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, রাম রহিম সিং বর্তমানে ২০১৭ সালের দুটি ধর্ষণ মামলায় ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তিনি বর্তমানে হরিয়ানার রোহতকের সুনারিয়া জেলে বন্দি। এর আগে ২০২৪ সালের মে মাসে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট ২০০২ সালে ডেরার প্রাক্তন ম্যানেজার রঞ্জিত সিং হত্যাকাণ্ড মামলাতেও রাম রহিমকে খালাস দিয়েছিল।
আরও পড়ুন: গুরু-আদিত্য যোগে মার্চেই ধামাকা! ৫ রাশির বৃহস্পতি তুঙ্গে, টাকার বৃষ্টি
এছাড়া ২০১৫ সালে পঞ্জাবে ঘটে যাওয়া ধর্মগ্রন্থ অবমাননা (স্যাক্রিলেজ) সংক্রান্ত একাধিক এফআইআরেও নাম রয়েছে অভিযুক্ত বাবা রাম রহিমের৷ এই মামলাগুলি এখনও তদন্তাধীন৷
