২০২১ সালে Ministry of Defence-এর অনুমোদনে ১১২.৮২ কোটি টাকা খরচে এই হাসপাতালের কাজ শুরু হয়। নানা প্রতিকূলতা—কোভিড পরিস্থিতি, দুর্গম এলাকা, আবহাওয়ার সমস্যা—সবকিছু সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হয়েছে। সেনা সূত্রে খবর, বাড়তি খরচও পড়েনি।
advertisement
হাসপাতালটিতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, উন্নত ওয়ার্ড ও রোগীবান্ধব ব্যবস্থার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। পরিবেশবান্ধব নকশায় তৈরি এই হাসপাতাল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যতম বড় সামরিক চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। এর ফলে পূর্বাঞ্চলে মোতায়েন থাকা সেনাদের চিকিৎসা সহায়তা অনেকটাই মজবুত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সেনা কর্তৃপক্ষের মতে, কেবল চিকিৎসাই নয়—কৌশলগত দিক থেকেও এই হাসপাতালের গুরুত্ব অনেক। সেই কারণেই ২০২৬ সালের সিআইডিসি বিশ্বকর্মা পুরস্কারের জন্য প্রকল্পটি মনোনীত হয়েছে। তেজপুরের এই নতুন সংযোজনটি Gajraj Corps-এর পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করল বলে মনে করছে ভারতীয় সেনা।
এর ফলে এবার থেকে কলকাতার কমান্ড হাসপাতালের উপর নির্ভরশীলতা অনেকটাই কমবে। উত্তর-পূর্ব ভারতের দুর্গম এলাকায় কর্মরত সেনা সদস্য বা তাঁদের পরিবারের কারও জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে, দ্রুত তেজপুরের এই বেস হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে। এতে সময় যেমন বাঁচবে, তেমনই সঙ্কটকালে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার পথও আরও সহজ হবে।
