এদিনের শুনানিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ৭.৫ লাখের মধ্যে ৩.০৪ লাখ আবেদন বাতিল হয়েছে। মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, ২৭ ফেব্রুয়ারির নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন— ১০ লক্ষ ১৬ হাজার অ্যাডজুজিকেশন লিস্ট ডিসপোস্টড করেছেন জুডিশিয়াল অফিসারেরা। ৭০৯ লগ ইন আইডি তৈরি হয়েছে। সেনসিটিভ জেলায় অবস্থা সামলানোর জন্য। কিন্তু জুডিশিয়াল অফিসারেরা কিছু সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন কমিশনের তরফে কিছু সমস্যার জন্য। আইনজীবী নাইডুকে অবিলম্বে সেই সমস্যার সমাধান করা এবং সমস্ত রকম লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি।”
advertisement
অন্যদিকে এদিনের শুনানিতে প্রশ্ন ওঠে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে। সেই প্রসঙ্গে আদালত শীর্ষ জানিয়েছে, “সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে যেমন যেমন কাজ শেষ হবে তেমন তেমন প্রধান বিচারপতি রেকমেন্ড করবেন কমিশনকে তালিকা প্রকাশের জন্য।”
এসআইআর-এ ১০ লাখ অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়েছে এখনও পর্যন্ত। তাতেই বাদ পড়েছে ৩ লাখ। মোট ৩ লাখ ৪ হাজার বাতিল হয়েছে বলে মঙ্গলবার শুনানিতে জানিয়েছেন হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী গোপাল সুব্রাহ্মণিয়াম। এই বিষয়ে বাতিলদের আবেদনের জন্য আপিলেট ট্রাইবুনাল গড়ে দিল শীর্ষ আদালত।
আরও পড়ুন: ২০২১-এ সাত দফায়, ২৬-এ বাংলায় কত দফায় ভোট? জবাব দিলেন জ্ঞানেশ কুমার
আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী এদিনের শুনানির শুরুতেই বলেন, এখনও পর্যন্ত ৭ লাখ নাম ক্লিয়ার হয়েছে। এখনও ৫৩ লাখ বাকি রয়েছে। সূর্যকান্ত— আমরা জানতাম যখনই আমরা জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করব, আপনারা পালাবেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এটা অত্যন্ত তড়িঘড়ি করা আবেদন। আমাদের আজই প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, ১০ লাখ কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। আপনারা একটু তড়িঘড়ি করছেন। সিজেআই সূর্যকান্ত বলেন আমি প্রকাশ্য কোর্টে বলছি না কিন্তু জুডিশিয়াল অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। আমরা আমাদের কড়া অবস্থান জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, মামলার শেষ শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, প্রয়োজনে বাংলার পড়শি রাজ্য ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়ে এসে অ্যাডজুডিকেশন তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের নাম যাচাই সম্পূর্ণ করতে হবে। সেই শুনানির পর রাজ্যে প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। অ্যাডজুডিকেশন লিস্টে এসেছে ষাট লক্ষেরও বেশি নাম।
