শাহ বলেন, “আমরা ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নাম কেটে দিচ্ছি। এতে মমতা দিদি এবং রাহুল বাবার পেটে ব্যথা হচ্ছে।” তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মঞ্চে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।
‘১৪ মিলিয়ন প্রাণ দিতেও প্রস্তুত’! আমেরিকার ডেডলাইনের মুখে কড়া বার্তা ইরানের প্রেসিডেন্টের
ইস্তানবুলে ইজরায়েল কনস্যুলেটের কাছে আচমকা গুলিবর্ষণ! ৩ বন্দুকধারী নিহত, জখম ২ পুলিশকর্মী
advertisement
তিনি আরও বলেন, রাহুল গান্ধি একসময় নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ-র বিরোধিতা করেছিলেন এবং বাংলাদেশ থেকে আসা উদ্বাস্তু বাঙালি ভাইবোনদের ভোটাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রেও আপত্তি জানিয়েছিলেন। অথচ এখন অনুপ্রবেশকারীদের স্বাগত জানানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। শাহের দাবি, এর পিছনে রয়েছে স্পষ্ট ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাঁদুন, রাহুল গান্ধি বুক চাপড়ান—তাতে কিছু যায় আসে না। বিজেপি এক একজন করে অনুপ্রবেশকারীকে বেছে বেছে এই দেশ থেকে বের করে দেবে।”
শাহ আরও ইঙ্গিত দেন, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কেন্দ্র সরকার কোনওরকম আপস করবে না এবং এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, অনুপ্রবেশ ও নাগরিকত্ব ইস্যু আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠতে চলেছে।
শাহের কথায়, “আমরা ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নাম কেটে দিচ্ছি। এতে মমতা দিদি আর রাহুল বাবার পেটে ব্যথা হচ্ছে। রাহুল বাবু, আপনি তো সিএএ-র বিরোধিতা করেছিলেন, এখানে আসা উদ্বাস্তু বাঙালি ভাইবোনদের ভোটাধিকার দেওয়ার বিরুদ্ধেও ছিলেন—তাহলে এখন কেন অনুপ্রবেশকারীদের স্বাগত জানাচ্ছেন? কারণ তারা আপনাদের ভোটব্যাঙ্ক… মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাঁদুন, রাহুল বাবু বুক চাপড়ান, তাতে কিছু যায় আসে না। বিজেপি এক একজন করে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে বেছে বেছে এই দেশ থেকে বের করে দেবে।”
এদিকে, এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবিরের একাংশ এই বক্তব্যকে বিভাজনমূলক বলে কটাক্ষ করেছে, অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে একে জাতীয় নিরাপত্তা ও আইনের শাসনের প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
