সরকারপক্ষের কৌঁসুলি তুষার মেহতা বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টকে জানান, ‘‘আমরা নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করছি৷’’ অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে কোনও প্রশ্ন থাকতে পারে না বলেও আদালতে বলেন তিনি৷ আদালতকে তিনি জানান, যে দু’জন ওই অধ্যায়ের বিষয়বস্তু তৈরি করেছেন, তাঁদের আর কোনও ভাবে শিক্ষা মন্ত্রক অথবা অন্য কোনও মন্ত্রকের সঙ্গে যুক্ত রাখা হবে না৷’’
advertisement
কড়া প্রতিক্রিয়ায় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘‘ওরা ওদিকে গুলি করেছে়, আর এদিকে বিচারবিভাগে রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে৷’’ প্রধান বিচারপতি তুষার মেহতার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‘মি. সলিসিটর, এটা অত্যন্ত অত্যন্ত পরিকল্পিত পদক্ষেপ৷ এটা শুধুমাত্র ছাত্রছাত্রীর বিষয় নয়৷ তাদের বাবা-মা, শিক্ষক শিক্ষিকারাও জানবে বিচারব্যবস্থা দুর্নীতিগ্রস্ত৷’’
প্রধান বিচারপতি আরও উল্লেখ করেন যে, ওই অধ্যায়ে সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকার উপর একটি সম্পূর্ণ অধ্যায় উৎসর্গ করা হলেও, এটি সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট এবং বিচার আদালতের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস বাদ দিয়েছে। তিনি পর্যবেক্ষণ করেন যে, পাঠ্যটি দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো সংরক্ষণে বিচার বিভাগের অবদান স্বীকার করতে ব্যর্থ হয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘পরিকল্পিত পদক্ষেপ,’ NCERT-র অষ্টম শ্রেণীর বই নিয়ে চূড়ান্ত ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন ওই অধ্যায় রয়েছে এমন সবক’টি বই ‘বাজেয়াপ্ত’ করতে হবে এবং পাশাপাশি, স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে, কেউ যদি ওই বইয়ের কপি কারওকে দেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ এসবের পাশাপাশি, NCERT চেয়ারম্যান প্রফেসর দীনেশ প্রসাদ সাকলানির এবং স্কুল শিক্ষার সচিবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷
