এই বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে (NFR) সৌর শক্তির ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। ২০১১ সালে সৌরশক্তি ব্যবহারের সূচনা থেকে শুরু করে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, সংস্থার মোট স্থাপিত সৌর সক্ষমতা ৩১.৮৯০ মেগাওয়াট পিক (MWp)-এ পৌঁছেছে।
advertisement
চলতি অর্থবছর ২০২৫–২৬-এই যুক্ত হয়েছে আরও ২২.৭৩৪ MWp অতিরিক্ত ক্ষমতা, যা নবীকরণযোগ্য শক্তি ব্যবহারে রেলের ত্বরান্বিত পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেয়। ডিভিশনভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, লামডিং (গুয়াহাটি অংশ-সহ) সর্বোচ্চ ১৩.৩৩৪ MWp সৌর ক্ষমতা স্থাপন করেছে। তার পরেই রয়েছে রঙিয়া ডিভিশন, যেখানে ৮.৯৪১ MWp স্থাপন হয়েছে।
এই সৌর প্রকল্পগুলির ফলে শুধু পরিবেশ রক্ষা নয়, আর্থিক সাশ্রয়ও হচ্ছে উল্লেখযোগ্য হারে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ৯.১৮ লক্ষ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে সৌরশক্তি থেকে। এর ফলে মাসিক গড়ে প্রায় ৬৮.৮০ লক্ষ টাকা সাশ্রয় হচ্ছে বলে জানিয়েছে রেল।
রাজনীতি ছাড়বেন রিঙ্কু? ‘সবার জন্য নিয়ম এক হওয়া উচিত …’ ক্ষুব্ধ দিলীপজায়া টিকিট না পেয়ে যা বললেন!
সবুজ শক্তির এই পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে ইতিমধ্যেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ডিভিশনে অতিরিক্ত ১৯.১৪ MWp সৌর ক্ষমতা তৈরির কাজ চলছে। লামডিং, রঙিয়া, কাটিহার এবং আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে বড় মাপের প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যা আগামী দিনে সামগ্রিক নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদনকে আরও বাড়াবে।
রেল কর্তৃপক্ষের মতে, এই উদ্যোগ শুধু কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমানোই নয়, বরং শক্তি খরচ কমিয়ে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌঁছনোর দিকেও বড় পদক্ষেপ। ২০৩০ সালের মধ্যে নেট জিরো নির্গমন অর্জনের যে লক্ষ্য ভারতীয় রেল নিয়েছে, তার পথেই এগোচ্ছে এই প্রকল্পগুলি।
