পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি মদ এবং মাদকাসক্ত ছিল৷ ঘটনার দন কুলবর্দন প্রথমে ও কিশোরীকে ধর্ষণ করে এবং তার পরে তাকে জলের ড্রামের ভিতরে ডুবিয়ে দেয়৷ সারারাত ও অবস্থাতেই সে ঘরের মধ্যে কিশোরীর লাশ রেখে দিয়েছিল৷
advertisement
গত সোমবার থেকেই নিখোঁজ ছিল দ্বিতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রী৷ কোথাও খুঁজে না পেয়ে শেষে তার পরিবার পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে৷ শহরজুড়ে সিসিটিভ ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়৷ ও দিন রাত দেড়টা নাগাদ অভিযুক্তের বাড়িতেও যায় পুলিশ৷ কিন্তু সে সময় জানলা দিয়ে কুলবর্ধনকে ঘুমোতে দেখে চলে যায় পুলিশ৷
পরের দিন সকালে পুলিশ ফের ফিরে আসেন এবং দরজা ভেঙে ওই কিশোরীর দেহ উদ্ধার করে৷ অভিযুক্তে এর আগেও অপরাধমূলক কাজকর্ম করার ইতিহাস রয়েছে৷
এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক নেতারা সহ অসংখ্য মানুষ জড়ো হয়ে মদনপল্লে-চেন্নাই মহাসড়ক ঘণ্টার পর ঘণ্টা অবরোধ করে ৷ কুলবর্ধনের গ্রেফতারির দাবি জানায় জনতা।
আরও পড়ুন– ঠান্ডা প্রায় উধাও ! সকালে ও রাতে শীতের হালকা আমেজ রয়েছে, ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা
বাচ্চাটর ময়নাতদন্ত করতে বাধা দেয় তার পরিবার৷ অবশেষে মঙ্গলবার সন্ধে নাগাদ শিশুটির দেহ ময়নাতদন্তে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়৷
এই মর্মান্তিক ঘটনার পরপরই, গ্রামের কাছে একটি পৃথক পুকুরে আরেকটি মৃতদেহ পাওয়া যায়। স্থানীয়রা সন্দেহ করছেন যে মৃতদেহটি কুলবর্ধনের। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। আরও তদন্ত চলছে।
