প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১১ বছরে ভারত নিজের শক্তি নতুন করে আবিষ্কার করেছে এবং দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক মানসিকতা ঝেড়ে ফেলেছে। তিনি বলেন, ‘গত ১১ বছরে দেশের চেতনায় এক নতুন শক্তির সঞ্চার হয়েছে। ভারত তার সামর্থ্য বুঝতে পেরেছে এবং নিজের সক্ষমতাকে স্বীকৃতি দিতে চায়।’
অতীতের সঙ্গে তুলনা টেনে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, কয়েক দশক ধরে ভারতের সম্ভাবনাকে ‘অগ্রাহ্য’ করা হয়েছে এবং আমাদের দেশ বিদেশি মডেলের উপর নির্ভরশীল ছিল। তিনি বলেন, “এক সময় আমরা বিদেশি প্রযুক্তি নকল করতাম। স্বাধীনতার পরেও ভারত দাসত্বের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। আজও আমরা তার পরিণতি ভোগ করছি।”
advertisement
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতিগুলি এখন ভারতের সঙ্গে অংশীদার হতে চাইছে। তাঁর ভাষায়, ”ভারত এখন এতটাই সক্ষম যে বিশ্বের উন্নত দেশগুলি নিজেরা এগিয়ে এসে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে চাইছে। কিছু মানুষ বিশ্বাসই করতে পারছেন না যে ভারত কীভাবে উন্নত দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে সক্ষম হয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রীর মতে, এর উত্তর লুকিয়ে আছে “আত্মবিশ্বাসী ভারত”-এ! একটি আত্মবিশ্বাসী দেশ, যা শক্ত অবস্থান থেকে আলোচনায় বসে। তিনি আরও বলেন, ভারতের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা দেশের বিশ্বাসযোগ্যতাকে শক্তিশালী করেছে… “আমরা আমাদের ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছি। একসময় যে মুদ্রাস্ফীতি দ্বিগুণ অঙ্কে ছিল, তা নিয়ন্ত্রণে এনেছি। আমরা ভারতকে বিশ্বের প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনে পরিণত করেছি।”
প্রধানমন্ত্রীর দাবি, বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারী ও সরকারগুলি এখন ভারতকে একটি নির্ভরযোগ্য অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে দেখছে। তিনি বলেন, “এক সময় ভারত কেবল প্রযুক্তির ভোক্তা ছিল। আজ ভারত শুধু বৃহৎ পরিসরে প্রযুক্তি ব্যবহারই করছে না, বরং এই ক্ষেত্রে নেতৃত্বও দিচ্ছে।” তিনি ভারতের ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ঘিরে বিশ্বব্যাপী আগ্রহের কথাও তুলে ধরেন।
