পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী বলেন, “রিফাইনারিগুলির সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যবহার করা হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে ১০০%-এরও বেশি। পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন, এটিএফ বা ফুয়েল অয়েলের কোনও ঘাটতি নেই। পেট্রল, ডিজেল, এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ), কেরোসিন এবং ফুয়েল অয়েলের সম্পূর্ণ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। নন-হরমুজ সোর্সিং থেকে অপরিশোধিত আমদানি প্রায় ৭০%-তে পৌঁছেছে, যা সংঘাতের আগে ছিল ৫৫%”।
advertisement
সেই সঙ্গে তিনি আরও জানান অপরিশোধিত তেল আমদানিতে আরও বেশি দেশের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। সংসদে তাঁর দাবি, “ভারতের তেল আমদানির সূত্র ২০০৬-২০০৭ সালে ২৭টি দেশে ছিল, এখন তা ৪০টি দেশে পৌঁছেছে। চেষ্টা করা হচ্ছে যতটা সম্ভব বেশি দেশের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করা হচ্ছে। দেশ জুড়ে রিটেইল আউটলেটগুলো সম্পূর্ণভাবে স্টক করা আছে। তেল সরবরাহও স্বাভাবিক ভাবে বজায় রয়েছে”।
সেই সঙ্গে হরদীপ সিং পুরি আশ্বস্ত করে বলেন, “বিকল্প পথ দিয়ে প্রায় প্রতিদিন বড় এলএনজি কার্গো আসছে। দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত চললেও পর্যাপ্ত গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের ব্যবস্থা আছে। প্রতিটি বাড়ি এবং শিল্পের জন্য শক্তির কোনও ঘাটতি নেই। আমেরিকা, নরওয়ে, কানাডা, আলজেরিয়া এবং রাশিয়া থেকে বড় জাহাজ এনে সক্রিয় ভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা হচ্ছে”।
