পুলিশ জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং কিছু নিউজ ফোরামে প্রাক্তন সেনাপ্রধান মনোজ নারাভানের বইয়ের ‘প্রি প্রিন্ট’ সংস্করণ ছড়িয়ে পড়েছিল৷ যদিও কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে এখও এইবই প্রকাশের বিষয়ে সবুজ সংকেত পাওয়া যায়নি৷
প্রাথমিক তদন্তে দিল্লি পুলিশ ওই বইয়ের একটি টাইপড পিডিএফ সংস্করণ পেয়েছে৷ সম্ভবত সেটি বইটির প্রকাশক সংস্থা Penguin Random House India Pvt. Ltd-এ প্রিন্ট পূর্ববর্তী সংস্করণ৷
advertisement
আরও পড়ুন: সোমবার একগুচ্ছ SIR নির্দেশ, আর মঙ্গলেই দিনভর বৈঠক! দিল্লি যাচ্ছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল
একটি অপ্রকাশিত কাজের এমন অননুমোদিত প্রচারের পরিপ্রেক্ষিতে, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল একটি মামলা দায়ের করেছে৷ কীভাবে বইটি ফাঁস হয়েছে এবং কতটা নিয়ম উল্লঙ্ঘন করা হয়েছে সে বিষয়ে বিশদে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷
সম্প্রতি বাজেট পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের ধন্যবাদ জ্ঞাপন বক্তৃতায় এই বই থেকে কিছু অংশ সংসদে উল্লেখ করেছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি৷ যার তীব্র বিরোধিতা করে বিজেপি৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রশ্ন তোলেন, নিয়ম না মেনে কী ভাবে একটি অপ্রকাশিত বই থেকে এমন পংক্তি লোকসভায় বলতে পারেন রাহুল? যদিও রাহুল দাবি করেন, ওই বইয়ের কিছু অংশ ইন্টারনেটের পাবলিক ডোমেনে রয়েছে৷ উপর্যুপরি, কয়েকদিন পরে বইটির হার্ড কপি নিয়ে সংসদেও হাজির হয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা৷
আরও পড়ুন :‘এসআইআর-এর কাজ সম্পূর্ণ করতে বাধা দিতে পারি না,’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে জানাল সুপ্রিম কোর্ট
২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষে ২০জন সেনার মৃত্যু হয়৷ মারা যান চিনের সেনাও৷ ১৯৬২ সালের পরে এটিই ছিল ভারত-চিন সম্মুখ সমরের নিদর্শন৷
সেখানে লাদাখের পরিবেশ আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রীকে দাবি করতে দেখা গিয়েছে, ‘‘চিন যে শুধু আমাদের জমি দখল করছে তা-ই নয়, বরং প্রত্যেক বছর আরও ভিতরে ঢুকে আসছে৷’’
