এর মধ্যেই গুজব ছড়িয়েছে, দেশে নাকি পেট্রল-ডিজেলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে! এই খবরকে একেবারেই ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্যুইট করল ‘ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড’! জানিয়ে দিল, “সোশ্যাল মিডিয়ায় পেট্রল ও ডিজেলের ঘাটতি নিয়ে যে খবর ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ভারতে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে চলছে। নাগরিকদের অনুরোধ করা হচ্ছে, আতঙ্কিত হবেন না। পেট্রোল পাম্পে অযথা ভিড় করবেন না এবং সঠিক তথ্যের জন্য শুধুমাত্র সরকারি সূত্রের উপরই নির্ভর করুন।”
advertisement
বিশ্ববাজারে জ্বালানির আকাল। এই ‘সংকট’ রুখতে ভারতকে ইতিমধ্যেই বড়সড় স্বস্তি দিয়েছে আমেরিকা। শুক্রবার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ঘোষণা করেছেন, আগামী ৩০ দিন রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ভারতের উপর কোনও বাধা থাকবে না। মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ৫ মার্চ পর্যন্ত যে সমস্ত রুশ জাহাজ মাঝসমুদ্রে পণ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, আগামী ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ভারত সেই তেল কিনতে পারবে। এমনকী নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা জাহাজগুলিকেও এই ছাড়ের আওতায় আনা হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে স্কট বেসেন্ট জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জমানায় আমেরিকার তেল উৎপাদন রেকর্ড গড়েছে। ভারত আমেরিকার অত্যন্ত জরুরি সহযোগী দেশ। তাই বৈশ্বিক তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং ইরানের ‘জ্বালানি-আকাল’ দশা থেকে মুক্তি পেতে এই সাময়িক পদক্ষেপ করা হয়েছে।
