এই একই সমস্যাকে আহমেদাবাদের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মনে করা হয়। এই সুইচে ত্রুটি দেখা দিলে আকাশে উড়ন্ত বিমানের ইঞ্জিন হঠাৎ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সময়মতো ত্রুটি ধরা পড়ায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে, না হলে আকাশে আরও এক ভয়ঙ্কর বিপর্যয় ঘটতে পারত!
লন্ডন থেকে বেঙ্গালুরু যাওয়ার জন্য প্রস্তুত এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট AI 132-এর পাইলটরা প্রি-ফ্লাইট চেকের সময় লক্ষ্য করেন, বিমানের ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচে সমস্যা রয়েছে। সময়মতো এই ত্রুটি শনাক্ত হওয়ায় একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। যদি বিমানটি আকাশে থাকত এবং সেই সময় সুইচটি বিকল হয়ে যেত, তাহলে পরিণতি হতে পারত ভয়াবহ। নিরাপত্তা মানদণ্ডের কথা মাথায় রেখে বিমানটিকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রাউন্ডেড করা হয় এবং যাত্রীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়।
advertisement
আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট AI 171-এর সঙ্গে যে দুর্ঘটনা ঘটেছিল, সেটিও একই বোয়িং ৭৮৭ বিমান ছিল। সেই সময় তদন্তে সামনে এসেছিল যে ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচে ত্রুটিই ছিল দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। একই ক্যাটাগরির বিমানে বারবার একই ধরনের প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেওয়া বোয়িংয়ের ম্যানুফ্যাকচারিং প্রক্রিয়া এবং এয়ার ইন্ডিয়ার মেইনটেন্যান্স প্রোটোকল—দুটোর উপরই গুরুতর প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিচ্ছে।
আরও পড়ুন- সুখবর! আজ থেকেই বন্দে ভারত স্লিপারে পাবেন আমিষ খাবার! কী কী থাকছে মেনুতে?
বোয়িং ৭৮৭-কে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী বিমানের মধ্যে গণ্য করা হয়। কিন্তু গত কয়েক বছরে এর ব্যাটারি, ফুয়েল লাইন এবং এখন ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচ সংক্রান্ত ধারাবাহিক অভিযোগ বিশ্বজুড়ে এয়ারলাইন্সগুলোর উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে এই ধরনের বিমানের একটি বড় বহর রয়েছে, যা লন্ডন, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দীর্ঘ দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুটে ব্যবহার করা হয়।
