ইরানে চলমান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত রবিবার নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির একটি বৈঠক করেন। নিরাপত্তা ও কৌশলগত বিষয়ে দেশের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা সিসিএস (CCS)-কে মোদি জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশালী এবং গোটা বিশ্ব এর দ্বারা প্রভাবিত৷ এমন সময়, নাগরিকদের এই যুদ্ধের প্রভাব থেকে আড়াল রাখার উপরেই আমাদের জোর দিতে হবে৷
advertisement
এক বিবৃতিতে সরকার জানিয়েছে, জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়ে সিসিএস সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কয়লার সরবরাহ রাখা হবে, যাতে বিদ্যুতের কোনও ঘাটতি না হয়। পেট্রোকেমিক্যাল, রাসায়নিক, ওষুধ এবং অন্যান্য শিল্প খাতের উৎসগুলোকে বৈচিত্র্যময় করার জন্য অন্যান্য পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে সারের বিকল্প উৎস নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
বৈঠকের পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া পোস্টে মোদি জানান, ‘মধ্য প্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশমনমূলক ব্যবস্থা পর্যালোচনা করতে সিসিএস-এর একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছি। আমরা স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি, যার মধ্যে রয়েছে কৃষকদের জন্য সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা, গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর জন্য আমদানির উৎস বৈচিত্র্যময় করা, নতুন গন্তব্যে রফতানি বৃদ্ধি এবং আরও অনেক কিছু। আমরা এই সংঘাতের প্রভাব থেকে আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’।
