আবেগের পাশাপাশি জ্যোতিষ-যুক্তিও হাজির পরিবারের কাছে। তাঁরা বলছেন, গত বছর মেঘালয়ে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে একাদশী তিথিতে খুন হয়েছিলেন রাজা। ঘটনাচক্রে নবজাতকের জন্মও হয়েছে একাদশী তিথিতেই। একে নিছক কাকতালীয় বা সমাপতন বলতে নারাজ পরিবার। তাঁদের মতে এ হল ঈশ্বরের আশীর্বাদ। তাই রাজা নতুন জন্মে ফিরে এসেছেন তাঁদের কাছে। রাজার মা উমা রঘুবংশীর কথায়, ‘আমার হারানো ছেলে আবার ফিরে এসেছে।’
advertisement
মধ্যপ্রদেশের ইনদওরের ব্যবসায়ী রাজা রঘুবংশীকে গত বছরের মে মাসে মেঘালয়ের সোহরায় খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, সোহরার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে রাজা ও সোনম ২১ মে শিলং গিয়েছিলেন। ২৬ মে দম্পতিটি নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেলে সোহরা পুলিশ, স্পেশাল অপারেশনস টিম, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, ট্রেকিং দল এবং স্থানীয়দের সমন্বয়ে একটি ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।
কয়েকদিন ধরে ব্যাপক তল্লাশির পর, ২ জুন সোহরার বিখ্যাত ওয়েই সাওডং জলপ্রপাতের কাছে একটি গভীর গিরিখাত থেকে রাজার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তকারীরা পরে জানতে পারেন যে রাজ কুশওয়াহা নামে আর একজনের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন সোনম।
অভিযোগ রয়েছে যে, এই তিনজন ভাড়াটে হামলাকারীকে সঙ্গে নিয়ে তাদের মধুচন্দ্রিমা চলাকালীন রাজাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেছিল সোনম-রাজ। পুলিশ জানিয়েছে, সোনমের উপস্থিতিতেই তিনজন ভাড়াটে খুনি রাজাকে খুন করে। তদন্ত শুরু হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই সোনম, রাজ কুশওয়াহা এবং তার বন্ধু বিশাল সিং চৌহান, আকাশ সিং রাজপুত ও আনন্দ কুর্মি-সহ পাঁচজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
