রাঘব চড্ডা কী বলেছিলেন?
আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডা তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আমি সংসদে দাবি করেছি যে ভারতে পিতৃত্বকালীন ছুটি একটি আইনি অধিকার হোক। একটি শিশুর জন্ম হলে বাবা-মা দুজনকেই অভিনন্দন জানানো হয়। কিন্তু যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব থাকে কেবল একজনের উপর, মায়ের ওপর। বাবাদের নবজাতকের যত্ন এবং তাঁর চাকরির মধ্যে কোনও একটিকে বেছে নিতে বাধ্য হওয়া উচিত নয়, এবং মায়েদেরও স্বামীর সমর্থন ছাড়া সন্তান জন্মদান ও প্রসব পরবর্তী সময়টা পার করতে হওয়া উচিত নয়। সন্তান প্রসবের ঠিক পরেই একজন নারীর তাঁর স্বামীর সান্নিধ্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়। স্ত্রীর যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বামীর দায়িত্বও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমি সংসদে এই বিষয়টি উত্থাপন করেছি, কারণ যত্ন নেওয়া একটি যৌথ দায়িত্ব। আমাদের আইনে এর প্রতিফলন থাকা উচিত।”
advertisement
এর আগে, রাঘব চাড্ডা রাজ্যসভায় ভারতের প্রধান শহরগুলির ক্রমাবনতিশীল যানজট পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যানজটের কারণে যাত্রীরা প্রতি বছর ১০০ থেকে ১৬৮ ঘণ্টা সময় হারান এবং শহুরে যানজট নিরসনে একটি জাতীয় পর্যায়ের সমাধানের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
রাঘব চাড্ডা এ পর্যন্ত কী কী বিষয় উত্থাপন করেছেন?
–ব্যাঙ্কিং বিধিমালা (ন্যূনতম ব্যালেন্স): তিনি ন্যূনতম ব্যালেন্স না রাখার জন্য ব্যাঙ্ক কর্তৃক আরোপিত চার্জ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
–খাদ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য: রাঘব চাড্ডা সংসদে ইউরিয়া ও ডিটারজেন্ট দিয়ে দুধ ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল মেশানোর বিষয়টি উত্থাপন করে এটিকে স্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় ভয়ের বলে অভিহিত করেছেন।
–যানজট: দেশের প্রধান শহরগুলোতে যানজটজনিত অর্থনৈতিক ক্ষতি কমাতে একটি জাতীয় নীতির প্রয়োজনীয়তা।
-ডিজিটাল অধিকার (ডেটা রোলওভার): মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মোবাইল ব্যবহারকারীদের ডেটা নষ্ট হয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি গ্রাহকের দ্বারা ডেটা পুনরায় ব্যবহারের দাবি তুলেছেন।
–যাত্রীদের অধিকার (ফ্লাইট বিলম্ব): বিমান চলাচলে বিলম্বের কারণে সৃষ্ট অসুবিধার জন্য যাত্রীদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়েছে।
–বিমানবন্দরের মূল্য: বিমানবন্দরে খাবার ও পানীয়ের (বিশেষ করে চা ও কফির) অত্যধিক দামের বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে।
–সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা: তিনি সরকারি হাসপাতালগুলোর বেহাল দশা ও স্বাস্থ্য বৈষম্যের বিষয়টিও উত্থাপন করেন।
