এদিন সকালে স্রেফ ভোট চাওয়া নয়, খেলা আর আড্ডার মেজাজেই প্রচারের সলতে পাকানো শুরু করলেন ‘বহরমপুরের রবিনহুড’। এদিন সকালে অধীর পৌঁছে যান শহরের পরিচিত ওয়াইএমএ (YMA) ময়দানে। সেখানে তখন প্রাতর্ভ্রমণকারী থেকে শুরু করে একদল যুবক ফুটবল খেলায় মত্ত। রাজনীতির ময়দানের পোড়খাওয়া খেলোয়াড়কে হাতের কাছে পেয়ে উৎসাহিত হয়ে পড়েন ফুটবলপ্রেমীরাও। ফুটবল পায়ে নিয়ে জোরাল শট মারলেন তিনি। মুহূর্তের জন্য রাজনীতির ময়দান যেন মিশে গেল খেলার মাঠের ঘাসে। মাঠের সৌজন্য বিনিময় সেরে সেখান থেকে সোজা পায়ে হেঁটে স্বর্ণময়ী বাজারের দিকে রওনা দেন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বাঘমুন্ডির জনসভা থেকে ছৌ শিল্পীদের জন্য বড় পদক্ষেপ, অভিষেকের ঘোষণায় খুশি হাজার হাজার শিল্পী
বাজারের ভিড়ে মিশে গিয়ে সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে জনসংযোগ সারেন তিনি। বাজার সংলগ্ন এলাকাতেই এদিন কংগ্রেসের একটি নতুন নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন অধীরবাবু। সব মিলিয়ে, মঙ্গলবার সকালের বহরমপুর দেখল এক ‘অন্য’ অধীরকে— যিনি একইসঙ্গে খেলোয়াড়, আবার একইসঙ্গে ঘরের লোক।





