মুখ্যমন্ত্রী দিল্লির বঙ্গভবন থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “সব তৃণমূল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বেশি করে ভোটারদের নাম বাদ গিয়েছে। বন্দর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় ৭০ হাজার নাম বাদ যাচ্ছে। ১০০% তৃণমূলের নাম বাদ যাচ্ছে, মুখ বাঁচাতে এক-দুজন হয়তো অন্য দলের”।
আরও পড়ুন: ‘সুপার ইমার্জেন্সি বাংলায়,৬ মাস থেকে কাজ করতে পারছে না প্রশাসন’! আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর
advertisement
ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার সাপেক্ষে যে কোনও উত্তর দিতে পারেননি তা-ও জানান মুখ্যমন্ত্রী। আরও বলেন, “আমরা কমিশনকে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা বলছেন তাঁরা কিছু জানে না। একজন খুনের অভিযুক্তকেও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়, এবার দিল্লির জমিদার ভোটারদের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছেন”।
মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের এসআইআর আবহ তুলে ধরে বলেন, “সুপার ইমার্জেন্সি চলছে বাংলায়, ৬ মাস থেকে কাজ করতে পারছে না প্রশাসন”। এসআইআরের কাজের জন্য বিপুল পরিমাণ সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক এবং আধিকারিকদের দায়িত্ব দিয়েছে প্রশাসন। এর প্রভাব পড়ছে প্রশাসনিক কাজেও, মাধ্যমিকের আগেও শিক্ষক সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবার মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক কাজ নিয়েও বার্তা দিলেন কমিশনকে।
আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টে হাজির হতে পারেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী! বুধবার শীর্ষ আদালতে SIR শুনানি
প্রসঙ্গত, সোমবার দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। তবে সেই বৈঠক সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বেরিয়ে যান ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী একাধিক চিঠি লিখেছিলেন এসআইআর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে, তারপরেই তিনি সরাসরি মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টে।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর শুনানিতে আদালতে হাজির থাকতে পারেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর নিয়ে একাধিক মামলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও এসআইআরে সাধারণ ভোটারদের সমস্যা নিয়ে আদালতে হাজির হয়েছেন একাধিক তৃণমূল সাংসদ।
