প্রধানমন্ত্রী কোকরাঝারের বাঁশবাড়িতে ২৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন রেল ওয়াগন পিওএইচ (POH) ওয়ার্কশপের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন। এই ওয়ার্কশপটি রেলের রোলিং স্টক রক্ষণাবেক্ষণ অবকাঠামোকে শক্তিশালী করবে, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি করবে এবং এই অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে, রেল ব্যবস্থা এবং স্থানীয় অর্থনীতির সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভুটানের সাথে আসন্ন রেল সংযোগ এবং স্টেশনটির চলমান আধুনিকীকরণ কাজ এই এলাকাটিকে একটি লজিস্টিক কেন্দ্রে পরিণত করবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, কোকরাঝারে বন্দে ভারত এবং রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি বা স্টপেজ এই অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান মর্যাদারই প্রতীক। এই নতুন উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে কোকরাঝার বাণিজ্যের একটি প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হতে চলেছে।
advertisement
পরবর্তীতে গুয়াহাটিতে, প্রধানমন্ত্রী তিনটি প্রধান রেল প্রকল্পের বিদ্যুতায়ন করেন এবং জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন। এর মধ্যে রয়েছে রাঙ্গিয়া-মুকংসেলেক (৫৫৮ কিমি), চাপারমুখ-ডিব্রুগড় (৫৭১ কিমি) এবং বদরপুর-শিলচর ও বদরপুর-চুরাইবাড়ি (৩১৫ কিমি)-এর মধ্যবর্তী রেললাইনগুলোর বিদ্যুতায়ন। প্রধানমন্ত্রী ফুরকাটিং-তিনসুকিয়া ডাবল লাইনের (১৯৪ কিমি) ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন। এই প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ৫,৮৯০ কোটি টাকা।
এই উদ্যোগগুলো অসম-সহ সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলে রেল অবকাঠামোকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে। একই সাথে এগুলো এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পর্যটন এবং আঞ্চলিক সংহতিকে উৎসাহিত করবে এবং শক্তিশালী যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
