বিক্ষোভকারীরা কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র ভেঙে ফেলেন এবং অনেক জায়গায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভাঙা প্লেট, উল্টে পড়া টেবিল-চেয়ার এবং এলোমেলো অফিসঘরের ভিডিও দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। নীতীশ কুমারের পদত্যাগের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ সমর্থকেরা স্লোগান দিতে থাকেন এবং দলের নেতৃত্বের কাছে তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এই ঘটনা ঘটে ঠিক সেই সময়ে, যখন নীতীশ কুমার রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাত্র চার মাস আগেই তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রেকর্ড দশমবারের মতো শপথ নিয়েছিলেন। এত অল্প সময়ের মধ্যেই তার পদত্যাগ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করেছে।
advertisement
বৃহস্পতিবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দেন। এর ফলে বিহারে তার দীর্ঘদিনের মুখ্যমন্ত্রীত্বের অধ্যায় শেষ হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে এনডিএ জোটের ভেতরে নতুন নেতৃত্বের পথ তৈরি হতে পারে এবং বিজেপির কোনো নেতা রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন।
তবে জেডিইউ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেনি। নীতীশ কুমার অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি রাজ্যসভায় গেলেও বিহারের উন্নয়নের জন্য কাজ চালিয়ে যাবেন এবং নতুন সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা ও পরামর্শ দেবেন। তার এই সিদ্ধান্ত বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
