২০২৬-এর ৭ মার্চ গুয়াহাটি রেলওয়ে স্টেশনে, আনুমানিক ১০,০০০ টাকা মূল্যের একটি চুরি করা মোবাইল ফোনসহ দুজনকে আটক করা হয় এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাঁদের জিআরপি/গুয়াহাটির কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে, ২০২৬-এর ১৩ ও ১৫ মার্চ লামডিং রেল স্টেশনে আনুমানিক ৫,০০০ টাকা ও ৬,০০০ টাকা মূল্যের চুরি করা মোবাইল ফোনসহ দুজন ভিন্ন অপরাধীকে আটক করা হয় এবং তাঁদের জিআরপি/লামডিং-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
advertisement
এছাড়াও, ২০২৬-এর ১৪ই মার্চ গুয়াহাটি রেলওয়ে স্টেশনে আনুমানিক ১৫,০০০ টাকা মূল্যের একটি চুরি করা মোবাইল ফোনসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং জিআরপি/গুয়াহাটির কাছে হস্তান্তর করা হয়; যেখানে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহের অধীনে অভিযোগ রুজু করা হয়েছে।
অপরাধ প্রতিরোধের পাশাপাশি রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনীর কর্মীরা বিপদে পড়া যাত্রীদের দ্রুত চিকিৎসা সহায়তাও প্রদান করেন। ২০২৬-এর ৯ মার্চ নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশনে এক যাত্রী অসুস্থ ও চলাচলে অক্ষম অবস্থায় পাওয়া যায়; তাঁকে অবিলম্বে চিকিৎসার জন্য শিলিগুড়ি সদর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
২০২৬-এর ১৪ মার্চ, নিউ জলপাইগুড়ি ইয়ার্ড এলাকায় অসুস্থ/আহত অবস্থায় এক অজ্ঞাত পরিচয় পুরুষ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই দিনে, ১৫৯৬১ আপ ট্রেনের এক যাত্রী শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন; তাঁকে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করা হয় এবং নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এছাড়াও, ২০২৬-এর ১৭ মার্চ নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশনে অর্ধ-অচেতন অবস্থায় পাওয়া এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলা যাত্রীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য রেলওয়ে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে যাত্রী নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার প্রতি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। রেলসম্পদ সুরক্ষায় রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনী সর্বদা সতর্ক ও সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যথাসময়ে মানবিক সহায়তাও প্রদান করে চলেছে।
