আজ পর্যন্ত পার্সেল সেগমেন্টে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে ৪৬.৫ শতাংশ ডিজিটাল পেমেন্ট শেয়ার অর্জন করেছে। উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের পক্ষ থেকে সবগুলি পার্সেল অফিসে পর্যায়ক্রমিকভাবে ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। রেলওয়ে বোর্ডের নির্দেশন অনুযায়ী ডিজিটাল পেমেন্ট সক্রিয় করতে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের পক্ষ থেকে ০৬ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে কাটিহার ডিভিশনের অন্তর্গত নিউ জলপাইগুড়ির পার্সেল অফিসে পয়েন্ট অব সেলের (পিওএস) মাধ্যমে পেমেন্টের সুবিধা চালু করা হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন : রাজ্যের তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমতে পারে, সপ্তাহান্তে জাঁকিয়ে শীত?
এছাড়াও ১৬ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে নিউ জলপাইগুড়ি ও গুয়াহাটি পার্সেল অফিসে কিউআর কোড পেমেন্ট সুবিধা চালু করা হয়েছে। ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি চালু করার পর থেকে বিভিন্ন ডিজিটাল গেটওয়ের মাধ্যমে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের ডিভিশনগুলি ধীরে ধীরে পার্সেল ট্রাফিক বুকিঙের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির প্রবণতা দেখিয়ে আসছে। ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ অনুযায়ী পার্সেল বুকিঙের ক্ষেত্রে রঙিয়া ডিভিশন ৮৫.৬ শতাংশ, কাটিহার ডিভিশন ৮৩.৬ শতাংশ এবং আলিপুরদুয়ার ডিভিশন ৬৩.৯ শতাংশ ডিজিটাল পেমেন্ট পঞ্জীয়ন করতে সক্ষম হয়েছে।
পার্সেল বুকিঙের সময় কার্ড, ইন্টারনেট বেংকিং, পিওএস-এর মাধ্যমে কিউআর কোড এবং কিউআরডি-এর মাধ্যমে কিউআর কোড দ্বারা পেমেন্ট করা যাবে, এর ফলে নগদবিহীন লেনদেন সক্রিয় হয়ে উঠছে। রেলের দ্বারা পণ্যসামগ্রীর পরিবহণ রোডওয়ের তুলনায় সস্তা ও দ্রুত এবং পরিবহণের এটিই সবচেয়ে পরিবেশ-অনুকূল পদ্ধতি। উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের পক্ষ থেকে আশা করা হয়েছে যে রেলওয়ের দ্বারা গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও স্কিম পার্সেল ট্রেন বা ভ্যানের মাধ্যমে সামগ্রী পরিবহণ করার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী ও অ্যাগ্রিগেটরদের আরও অনেক বেশি সাহায্য করবে।
