এদিন হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, ‘‘এই গত কাল পর্যন্তও উনি বলছিলেন, ‘গ্রেফতার করুন’৷ এখন যখন পুলিশ গেছে, তখন উনি হায়দরাবাদে পালিয়েছেন৷ আমা পবন খেরাকে পবন পেড়া করে ছাড়ব৷’’
advertisement
প্রসঙ্গত, ক’দিন আগে দিল্লিতে একটি সাংবাদিক বৈঠক করে হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রীয়ের সম্পর্কে কিছু নথি প্রকাশ করেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা৷ দাবি করেন, হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রীয়ের একাধিক পাসপোর্ট রয়েছে৷ তিনি বলেন, ‘‘হিমন্ত বিশ্ব শর্মার পুরো রাজনীতিই মুসলিম-বিদ্বেষের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, কিন্তু তাঁর স্ত্রীর কাছে দুটি মুসলিম দেশের পাসপোর্ট কীভাবে আছে? ভারতীয় আইন অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্ব রাখা যায় না, তাহলে কি রিঙ্কি ভুঁইয়া শর্মার কাছেও একটি ভারতীয় পাসপোর্ট আছে? বং দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি জানতেন যে তাঁর দত্তক পুত্রের স্ত্রীর তিনটি পাসপোর্ট রয়েছে?’’
অসম কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ হিমন্তকে এই বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া জানানোর দাবি করেন৷ জানাতে বলেন যে, তাঁর পরিবারের দুবাইতে কোনও সম্পত্তি আছে কি না, অথবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইওমিং-এর কোনও কোম্পানির সঙ্গে তাদের যোগসূত্র আছে কি না। এছাড়া, তাঁরা এই কথিত সম্পদের বিবরণ দিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি হলফনামা জমা দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন৷
অন্যদিকে, হিমন্ত সোমবার দাবি করেন, সাংবাদিক বৈঠক করে কংগ্রেস যে সমস্ত নথি পেশ করেছে, তা আসতে পাকিস্তানের একটি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল থেকে সংগ্রহ করা৷
হিমন্ত শর্মা জানিয়েছিলেন, এই সমস্ত মনগড়া অভিযোগের তীব্র বিরোধিতা করে তাঁর স্ত্রী ইতিমধ্যেই আইনি পদক্ষেপ করেছে৷ হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছেন, ‘‘সাধারণত, জাল নথি ব্যবহার করে জনগণের সামনে কোনও বিষয় উত্থাপন করলে, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ এবং ৪৬৮ ধারার আওতায় অভিযোগ করা হয়৷ অবশ্যই, নতুন বিএনএস-এ একটি চিঠিপত্রের বিধান রয়েছে। আপনি যদি কোনও নির্বাচনের ফলাফল বা দফাকে প্রভাবিত করার জন্য জাল নথি সহ এই অভিযোগগুলি ব্যবহার করেন, তখন তা আরও কঠোর শাস্তির বিধানের আওতায় আসে এবং এর শাস্তি হল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। গতকাল আমার স্ত্রী একটি এফআইআর দায়ের করেছেন এবং আমি নিশ্চিত যে পুলিশ আইনের যথাযথ ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে৷’’
