দূতাবাসের তরফে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ভারতীয়দের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সামরিক স্থাপনা এবং বহুতল ভবনের উপরের তলায় যাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। প্রয়োজনে রাস্তায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দিঘায় বেড়াতে এসে মর্মান্তিক পরিণতি! হোটেলের সুইমিং পুলে ডুবে মৃত্যু কলকাতার যুবকের
‘আমরা অনুপ্রবেশকারীদের নাম কাটছি বলে পেটে ব্যথা হচ্ছে!’ অসমে একযোগে মমতা-রাহুলকে আক্রমণ অমিত শাহের
advertisement
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের আগামী ৪৮ ঘণ্টা যেখানে আছেন সেখানেই থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক ও সামরিক স্থাপনা এবং বহুতল ভবনের উপরের তলা এড়িয়ে চলতে হবে। ঘরের ভিতরে থাকতে হবে এবং যেকোনও যাত্রার আগে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।”
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলার জেরে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকার সেখানে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
বিদেশ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬.৪৯ লক্ষ যাত্রী পশ্চিম এশিয়া থেকে ভারতে ফিরে এসেছেন। চলমান সংঘাতের মধ্যে হাজার হাজার ভারতীয় নাগরিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার কাজও চলছে।
মঙ্গলবার আন্তঃমন্ত্রক বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব (গাল্ফ) অসীম আর মহাজন জানান, তেহরানে ভারতীয় দূতাবাস এখনও পর্যন্ত ১,৮৬২ জন ভারতীয় নাগরিককে ইরান থেকে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানে স্থানান্তরে সাহায্য করেছে, যাতে সেখান থেকে তাঁরা ভারতে ফিরতে পারেন। এর মধ্যে ৯৩৫ জন ছাত্র এবং ৪৭২ জন মৎস্যজীবী রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, উপসাগরীয় ও পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। ভারতীয়দের নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছে। বিদেশ মন্ত্রকে একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে, যা বিভিন্ন দূতাবাস ও কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ভারতীয় নাগরিকদের সাহায্য করছে।
পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে, ফলে আগামী কয়েক দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
