যশরাম মীণা কর্মীদের আচরণ, সহানুভূতিশীল মনোভাব ও জনসাধারণের সঙ্গে সৌজন্যমূলক ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেন। যেহেতু কর্মীরাই সরাসরি যাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তাই তাঁদের আচরণে ডিভিশনের পরিষেবা-প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত হওয়া আবশ্যক। এই লক্ষ্যে নির্বিঘ্ন ব্যবস্থাপনার জন্য একাধিক নির্দেশনা জারি করা হয়।
আরও পড়ুন– ফের পারদ পতনের পূর্বাভাস ! কোথায় কত কমবে তাপমাত্রা? জেনে নিন
advertisement
ঝঞ্ঝাটমুক্ত টিকিট ব্যবস্থা: তীর্থযাত্রীদের টিকিট সংগ্রহে যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সে জন্য বিস্তারিত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে অতিরিক্ত কাউন্টার ও কর্মী মোতায়েন করা হবে এবং এম-ইউটিএস (M-UTS)-এর সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।
রিয়েল-টাইম তথ্য প্রদান: অনুসন্ধান ডেস্কে দায়িত্বপ্রাপ্ত সমস্ত কর্মীদের ট্রেনের সময়সূচি, প্ল্যাটফর্ম পরিবর্তন এবং বিশেষ মেলা পরিষেবা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য রাখার নির্দেশ দেন শ্রী মীণা, যাতে যাত্রীদের মধ্যে কোনও বিভ্রান্তি না সৃষ্টি হয়।
উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা: তীর্থযাত্রীদের সঠিক পথে দিকনির্দেশ দিতে স্টেশন জুড়ে নিয়মিত ও স্পষ্ট ঘোষণা করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সক্রিয় তদারকি: কমার্শিয়াল সুপারভাইজারদের মেলা চলাকালীন পুরো সময়জুড়ে মাঠপর্যায়ে সম্পূর্ণ সক্রিয় ও উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়, যাতে যে কোনও উদ্ভূত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা যায়।
গঙ্গাসাগর মেলার ব্যস্ত সময়ে শিয়ালদহ ডিভিশন যাত্রী সুবিধা ও পরিচালন দক্ষতার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ডিভিশনের লক্ষ্য—এই যাত্রায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ভক্ত যেন একটি নিরাপদ, সুসংগঠিত ও আরামদায়ক যাত্রার অভিজ্ঞতা লাভ করেন।
