তিনি জানান, “আজ, ১৯ মার্চ লখনউ বা দেশের কোথাও শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই আগামীকাল ৩০তম রোজা পালন করা হবে। আর শনিবার, ২১ মার্চ ইদ-উল-ফিতর উদযাপন করা হবে। লখনউ ইদগাহে সকাল ১০টায় প্রধান নামাজ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দেশ ও বিশ্বের শান্তির জন্য প্রার্থনা করা হবে।”
এদিকে ইদকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বাজারে ভিড় বেড়েছে। নতুন পোশাক, আতর, সেমাই ও খেজুর কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন মানুষজন। চাঁদ না দেখা যাওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে বাজারে ভিড় আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
শুক্রবার শেষ রোজা পালন করবেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। শনিবার সকালে শহরের বিভিন্ন মসজিদে ইদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। নাখোদা মসজিদ চত্বরে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে নিরাপত্তা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও যানবাহন ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
চাঁদ দেখা না গেলেও উৎসবের আনন্দে ভাটা পড়েনি। এক মাসের সংযম ও ধর্মীয় অনুশাসনের পর শনিবারের ইদ উদযাপনকে ঘিরে শহরজুড়ে এখন উৎসবের অপেক্ষা।
