আদালত উল্লেখ করে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে SIT তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেয়, যা আদালত গ্রহণও করে। সেই রিপোর্টে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ভান্তারায় প্রাণী আমদানির ক্ষেত্রে দেশীয় বা আন্তর্জাতিক কোনও আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলেনি।
advertisement
কিনতে হয় না, মাটির নীচেই গ্যাসের খনি! ১৪ মাস ধরে যে ভাবে রান্না করছেন এই পরিবার, জোরহাটে চমক
বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানায়, বৈধ অনুমতি নিয়ে একবার কোনও আমদানি সম্পন্ন হলে পরে আপত্তি ওঠার ভিত্তিতে সেটিকে বেআইনি বলা যায় না। আদালতের বক্তব্য, “বৈধ অনুমতি নিয়ে সম্পন্ন হওয়া আমদানিকে পরে শুধুমাত্র আপত্তির ভিত্তিতে নিষিদ্ধ বলা যায় না।”
প্রাণীদের সুরক্ষার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। বিচারপতিদের মতে, বৈধভাবে আমদানির পর প্রাণীদের বর্তমান পরিবেশ, অভিভাবকত্ব বা বাসস্থান থেকে সরানো হলে সেটিই বরং নিষ্ঠুরতার শামিল হতে পারে।
এছাড়াও, আবেদনকারী পক্ষ যে ‘CITES’ (Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora)-এর একটি নথির উপর নির্ভর করেছে, তা অভিযোগকে সমর্থন করে না বলেই জানায় আদালত। বরং ওই নথিতে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় CITES নথি বা আমদানি অনুমতি ছাড়া প্রাণী আনা হয়েছে— এমন কোনও প্রমাণ নেই। এমনকি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যেও আমদানির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এই সমস্ত পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে আদালত জানায়, আবেদনে কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। আবেদনকারী পক্ষ আমদানি সংক্রান্ত নথি প্রকাশ, স্বাধীন নজরদারি কমিটি গঠন এবং বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইন, ১৯৭২ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। তবে আদালত স্পষ্ট করে দেয়, এই সমস্ত বিষয় আগেই খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
ফলে, রিট আবেদনটি খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলায় আবেদনকারীর পক্ষে সওয়াল করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট সন্তোষ পল এবং অ্যাডভোকেট অঙ্কুর যাদব।
