পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতরা হলেন রাজেশ (৫৩), তাঁর স্ত্রী কোমল (৪৭) এবং তাদের ২৩ বছরের একমাত্র কন্যা কবিতা। বুধবার ভোর ৫টা নাগাদ, তাদের পুত্র রোজকার মতোই মর্নিং ওয়াকে গিয়েছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফিরে এসে দেখেন দরজা খোলা। এরপরই ঘরের ভিতরে দেখতেই আঁতকে ওঠেন তিনি।
advertisement
মৃত ব্যক্তির ছেলে জানিয়েছেন, তিনি দেখেন বাবা, মা এবং বোন রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গেই চিৎকার করে প্রতিবেশীদের ডাকেন তিনি। তারপরেই খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। সেই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় স্থানীয় থানার পুলিশ। এরপর তারা এসে দেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তদন্তকারীদের অনুমান, চুরি বা ডাকাতির জন্য এই খুনগুলি নয়। কারণ, কোনও জিনিস চুরি বা লুটের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাহলে কি পরিচিত কেউ এই খুনে জড়িত? তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে এক প্রতিবেশী জানিয়েছেন, “ওই বাড়ির ছেলের চিৎকার শুনতে পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছই। সেখানে গিয়ে দেখি যে, ঘরের মধ্যে তিন জনের দেহ পড়ে রয়েছে। আর চারপাশ রক্তে ভেসে যাচ্ছে।” উল্লেখ্য, বুধবারই ছিল রাজেশ-কোমলের বিবাহবার্ষিকী। সেই দিনই ঘটল এই ঘটনা।
