আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেটের ওপর নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নিরাপত্তা পরিষদের মনিটরিং টিমের বাইঅ্যানুয়াল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, “পহেলগাঁও হামলার সঙ্গেই, গত ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লায় হামলা, যেখানে ১৫ জন নিহত হন, তার সঙ্গে জইশ ই মহম্মদ জড়িত বলে রিপোর্টেড হয়েছে।”
রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, জইশের মহিলা শাখা সংগঠন জামাত উল মোমিনাতের কথাও। রাষ্ট্রসংঘ ঘোষিত জঙ্গি মাসুদ আজহার গত বছরের ৮ অক্টোবর এই মহিলা শাখা গঠনের ঘোষণা করেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে।
advertisement
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জইশ-ই-মহম্মদ শুধু ভারতে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাচ্ছে না, তারা তাদের সক্ষমতাও বাড়িয়ে তুলছে। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি একটি ডেডিকেটেড ‘উইমেন উইং’ (জামায়াতুল-মুমিনাত) গঠনের পরিকল্পনা করছে। এই নিয়ে একটি সদস্য রাষ্ট্র দাবি করেছে, জইশ-ই-মহম্মদ ভারতে বেশ কয়েকটি হামলার দায় স্বীকার করেছে।
এটিও জানানো হয়েছে, গত ৯ নভেম্বর লালকেল্লায় হামলার সাথে যুক্ত ছিল জইশ। সেই হামলায় ১৫ জন নিহত হয়েছিল। সেই হামলার আগে গত ৮ অক্টোবর জইশ-ই-মহম্মদ নেতা মৌলানা মাসুদ আজহার আলভি আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের লক্ষ্যে মহিলা শাখা ‘জামাত-উল-মুমিনত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করেছিল। এদিকে রাষ্ট্রসংঘের এই রিপোর্টে জইশের নামের অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করা একমাত্র দেশ ছিল পাকিস্তানই। পাকিস্তান এই নিয়ে দাবি করেছে, জঙ্গি সংগঠনটি নাকি এখন বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
