সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘নন্দা দেবী’ জাহাজে ৪৬ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) রয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার জেরে যখন সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, সেই সময় এই এলপিজি চালান ভারতের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে ভারতের প্রথম এলপিজি জাহাজ ‘শিবালিক’ও সফলভাবে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে উন্মুক্ত সমুদ্রে পৌঁছেছে। কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে নিরাপদ পথ নিশ্চিত হওয়ার পরই জাহাজটি প্রণালী পেরিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছিল। বর্তমানে সেটিও ভারতীয় নৌসেনার তত্ত্বাবধানে নিরাপদে এগিয়ে চলেছে।
advertisement
হাতায় করে পাতে দিচ্ছেন ভাত! শিয়ালদহে কর্মীদের খাবার পরিবেশনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য
সরকারি সূত্রের দাবি, এই দুটি জাহাজকেই অত্যন্ত সংবেদনশীল এই সামুদ্রিক পথে নিরাপদে চলাচল করাতে ভারতীয় নৌসেনা ঘনিষ্ঠভাবে নজরদারি করছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে নৌবাহিনীর বিভিন্ন সম্পদও মোতায়েন করা হয়েছে।
সরকারি আধিকারিকরা আগেই জানিয়েছিলেন, কূটনৈতিক আলোচনা সম্পন্ন হওয়ার পর দুটি ভারতীয় এলপিজি ক্যারিয়ার প্রণালী পেরিয়ে যাত্রা শুরু করবে। এখন ‘শিবালিক’ এবং ‘নন্দা দেবী’—দু’টি জাহাজই প্রণালী পেরিয়ে যাওয়ায় আশা করা হচ্ছে, একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অন্য জাহাজগুলিও ভবিষ্যতে বড় ধরনের বাধা ছাড়াই এই পথ ব্যবহার করতে পারবে।
ভারতের জন্য এই অগ্রগতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ দেশের এলপিজি আমদানির বড় অংশই উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসে। সরকারি সূত্রের মতে, এই জাহাজগুলির নিরাপদ যাত্রা প্রমাণ করে যে গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক করিডর দিয়ে ভারতের জ্বালানি চালান নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি কার্যকর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে।
