তবে প্রতীক উর বিতর্কে দলের রাজ্য নেতৃত্বের পাশেই দাঁড়ালেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি৷ দলত্যাগী সিপিএম নেতার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বরং তিনি পাল্টা দাবি করেছেন, প্রতীক উরকে আলোচনার জন্য বৈঠকে ডাকা হলেও তিনি আসেননি৷
এ প্রসঙ্গে এম এ বেবি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে আমি নিয়মিত যাই। রাজ্য নেতৃত্ব ছাড়াও যে কোনও কমরেড আমার সঙ্গে এসে কথা বলতে পারেন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগণার কয়েকজন রাজ্য কমিটির নেতার সঙ্গে আমি নিজে কথা বলেছি। তবে প্রতীক উরের বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যম যা দেখাতে চাইছে, তা ঠিক নয়।’
advertisement
গত শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন প্রতীক উর রহমান৷ সিপিএম রাজ্য নেতৃত্বের দাবি ছিল, গত এক-দেড় মাস ধরেই প্রতীক উরের সঙ্গে শাসক দলের যোগাযোগের খবর তাঁদের কাছে ছিল৷
কয়েকদিন আগে কেন্দ্রীয় সরকার কেরলের নাম বদলে কেরলম রাখার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিল৷ এর পরই কেরলে সিপিএম-বিজেপি-র সমঝোতার অভিযোগ তুলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এ দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই অভিযোগের জবাব দিয়ে এম এ বেবি বলেন, ‘উনি বিজেপির সমর্থনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন। আমরা আলাদা কক্ষে থাকলেও ওঁকে সংসদে দেখেছি। আরএসএস-এর বিরুদ্ধে আমাদের কমরেডরা লড়াই করছেন। কেরলে যাতে আরএসএস ঢুকতে না পারে তার জন্য লড়াই চলছে। আর উনি সিপিএমের সঙ্গে বিজেপি জোটের কথা বলছেন? কারণ উনি ভাবছেন যে সিপিএমও ওনারই মতো।’
