মণ্ডলা জেলার নাইনপুরে সরকারি মদের দোকান থেকে স্কুল ইউনিফর্ম পরা ছাত্রীদের মদ কিনতে দেখা গেছে। সিসিটিভি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ছাত্রী স্কুলের পোশাক পরে ও মাথা আংশিকভাবে ওড়নায় ঢেকে মদ কেনে। দোকানদার তাদের কাছে মদ বিক্রি করে, যা অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে মদ বিক্রির রাজ্য আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।
advertisement
ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরই স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। এসডিএম আশুতোষ ঠাকুর, তহসিলদার এবং স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দোকানটি পরিদর্শন করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোকানের কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশে মদ বিক্রির নিয়মকানুন কার্যকর করা ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে মদ্যপান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
ঘটনার পর প্রশাসন সিসিটিভি ফুটেজটি ফ্রেম-বাই-ফ্রেম পরীক্ষা করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নাবালিকাদের কাছে মদ বিক্রি করা হয়েছিল। এটি সাধারণ লাইসেন্স শর্তাবলী (GLC)-এর লঙ্ঘন এবং মদ সংক্রান্ত আইনের আওতায় একটি অপরাধযোগ্য কাজ। তদন্তের এই প্রাথমিক ফলাফলের পর এসডিএম আশুতোষ ঠাকুর আবগারি বিভাগকে বিস্তারিত তদন্তের আর্জি জানান।
দোকানের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, পাশাপাশি কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখছেন যে ওই ছাত্রীরা একাই এসেছিল নাকি কারও দ্বারা প্ররোচিত হয়ে দোকানে গিয়েছিল। স্থানীয়রা দোকান মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ও প্রশাসনের জবাবদিহি দাবি করেছেন। ঘটনাটি এখন রাজনৈতিক রূপ নিচ্ছে।
আরও পড়ুন- উৎসব মাটি করতে ধেয়ে আসছে প্রবল ঘূর্ণিঝড়! কবে কোথায় তৈরি হতে চলেছে? বাংলায় প্রভাব পড়বে?
প্রাক্তন বিধায়ক ও জেলা কংগ্রেস সভাপতি ডা. অশোক মার্সকোলে ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, “যখন জিতু পাটওয়ারি মধ্যপ্রদেশে ক্রমবর্ধমান মদ্যপানের প্রবণতা নিয়ে কেন্দ্র সরকারের রিপোর্ট উদ্ধৃত করেছিলেন, তখন বিজেপি নেতারা তার কুশপুতুল দাহ করেছিলেন। আজ স্কুলছাত্রীরা মদ কিনছে, তখন সেই নেতারা আর তাদের তথাকথিত ‘নারী শক্তি’ কোথায়?”
