TRENDING:

Harish Rana: ‘সবাইকে ক্ষমা করে দিও,’ নিষ্কৃতি মৃত্য়ুর পথে হরিশ রাণা! চোখের জলে বিদায় পরিবারের

Last Updated:

গাজিয়াবাদের বছর বত্রিশের তরুণের ‘নিষ্কৃতি মৃত্যু’ অধিকারে মান্যতা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷ এবার ধীরে ধীরে তাঁর জীবনদায়ী সাপোর্ট খুলে নেবেন দিল্লি এইমসের বিশেষ চিকিৎসক দল৷ বাবা-মায়ের বারংবার আর্জির পরে দেশের ইতিহাসে প্রথম এমন রায় দিয়েছে আদালত৷

advertisement
নয়াদিল্লি: বিগত ১৩ বছর ধরে ভেজিটেটিভ স্টেট-এ৷ জলজ্যান্ত উচ্ছ্বল ছেলেটাকে বছরের পর বছর ধরে ধীরে ধীরে বিছানার সঙ্গে মিলিয়ে যেতে দেখেছেন তাঁর বাবা-মা৷ দীর্ঘ আইনি লড়াই, চাপানউতোর শেষে সম্প্রতি বছর বত্রিশের হরিশ রাণার ‘নিষ্কৃতি মৃত্যু’র আর্জি মেনে নিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত৷ গত শনিবারই তাঁকে গাজিয়াবাদ থেকে দিল্লি এইমসে নিয়ে আসা হয়েছে৷ সেখানে চিকিৎসকদের বিশেষ দল ধীরে ধীরে তাঁর উপর থেকে সমস্ত জীবনদায়ী সাপোর্ট তুলে নেবে পর্যায়ক্রমে৷
হরিশ রাণাকে বিদায় জানাল পরিবার
হরিশ রাণাকে বিদায় জানাল পরিবার
advertisement

এর মধ্যে গাজিয়াবাদ থেকে হরিশ রাণাকে বিদায় জানানোর একটি পারিবারিক ভিডিও সামনে এসেছে৷ ২২ সেকেন্ডের সেই মর্মান্তিক ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে সবাই চোখের জলে বিদায় জানাচ্ছে তাঁদের বাড়ির প্রিয়তম সদস্যকে৷ মা বসে রয়েছেন, ছেলের ঠিক পাশে৷ একজন ব্রহ্মকুমারী দলের সদস্যা হরিশের কপালে তিলক এঁকে দিচ্ছেন৷ বাথায় হাত বুলোতে বুলোতে অঝোর ঝরে কাঁদতে কাঁদতে বলছেন, ‘আমাদের ক্ষমা করে দিও’৷

advertisement

আরও পড়ুন: ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে গিয়েছিল ছেলে, একদিন ঘটল সেই ঘটনা! কোন যন্ত্রণা থেকে ছেলের ‘নিষ্কৃতি মৃত্যু’ চাইছিলেন বাবা-মা? কী হয়েছিল হরিশ রানার?

তাঁরা অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলছেন, ‘‘সকলকে ক্ষমা করে দিও, সকলের হয়ে ক্ষমা চাইছি, এবার যাওয়ার সময় এসে গেছে, কেমন..’’

ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে গিয়ে সেই ২০১৩ সালে মেসের চারতলা থেকে পড়ে গিয়েছিলেন হরিশ৷ মাথায় গুরুতর আঘাত পান৷ প্রাণে বাঁচলেও সেই যে শরীর মন অসাড় হয়ে যায়, সেই চেতনা আর ফেরেনি৷ সেই থেকে বিছানায় আটকে৷ বাবা অশোক রাণাই বিগত ১৪ বছর ধরে ছেলের শ্রুশ্রূষা করে চলেছেন৷ চলের মতো হয়েছে খরচ৷ সাধ্যাতীত৷

advertisement

advertisement

রাজনগর অ্যাসোসিয়েশনের অন্য বাসিন্দারাও হরিশের পরিবারের এতদিনের লড়াইয়ের কথা জানিয়েছেন৷ জানিয়েছেন, কী ভাবে নিজেদের সাধ্যের উপরে গিয়ে ছেলের দেখাশোনা করে গিয়েছে একটা গোটা পরিবার, তার মা-বাবা৷

আরও পড়ুন: রাজ্যসভায় ব্যাটেলগ্রাউন্ড বিহার, ওড়িশা! জিততে মরিয়া বিজেপি, আজ ভোটগ্রহণ…ভাগ্য নির্ধারণ হবে নীতীশ-নিতিনের

গত শনিবার গাজিয়াবাদের যুবককে ‘প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া’ অর্থাৎ, লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম সরিয়ে দিয়ে ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’র অনুমতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট৷ ৩১ বছর বয়সি ওই যুবক একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর থেকে গত ১৩ বছর ধরে ওই একই ভাবে ভেজিটেটিভ স্টেটে থেকে গিয়েছিলেন৷ বিগত কয়েক বছরে তাঁর স্বাস্থ্যে বিন্দুমাত্র কোনও উন্নতি হয়নি৷ ছেলের স্বেচ্ছামৃত্যুর দাবি জানিয়ে আদালতে লড়ছিলেন ওই যুবকের বাবা-মা৷

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
নামখানায় শুরু হল জাগ্রত কাঁকড়াবুড়ির পুজো, ১০ দিনের মেলায় ভক্তদের কাঁকড়াভোগ বিতরণ
আরও দেখুন

শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার জন্য ছিল ট্র্যাকিওস্টোমি টিউব৷ খাওয়ানোর জন্য গ্যাস্ট্রোজেজুনোস্টোমি টিউব৷ সেই নিয়েই আটকে একটা বিছানায়৷ টানা ১৩ বছর৷ বাবা-মায়েরা আশঙ্কা ছিল, তাঁদেরও তো বয়স হচ্ছে, তাঁরা চলে গেলে কে দেখবে তাঁদের ছেলেকে? তাই বাবা-মা হয়েও সন্তানের ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’র আর্জি জানিয়ে দোরে দোরে ঘুরছিলেন৷ চিকিৎসক বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবশেষে হরিশের বাবা-মায়েরা সেই আর্জি মানল আদালত৷

Click here to add News18 as your preferred news source on Google.
দেশের সব লেটেস্ট খবর ( National News in Bengali ) এবং বিদেশের সব খবর ( World News in Bengali ) পান নিউজ 18 বাংলায় ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং টপ হেডলাইন নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ ডাউনলোড করুন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস-এ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
বাংলা খবর/ খবর/দেশ/
Harish Rana: ‘সবাইকে ক্ষমা করে দিও,’ নিষ্কৃতি মৃত্য়ুর পথে হরিশ রাণা! চোখের জলে বিদায় পরিবারের
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল