মঙ্গলবার এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে৷ সেখানে দেখা যায়, ২৫ বছরের ক্ষীতিশ তাঁর মা মিথিলেশকে গলা কেটে হত্যা করে৷ সেই হত্যার ঘটনা ঘটে গত বৃহস্পতিবার৷ তার পর একটি ৭৭ পাতার সাইসাইড নোট লেখে ক্ষিতীশ৷ সেখানে সে বিস্তারিত উল্লেখ করে কেন সে এই কাজ করছে৷ তার পর নিজেকেও হত্যা করে সে৷ বাড়িতেই পড়ে ছিল মা ও ছেলের দেহ৷ দিন দুয়েকের মধ্যে বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পেতে শুরু করেন প্রতিবেশীরা৷ সেই গন্ধ কেন আসছে, তা নির্দিষ্ট করতে স্থানীয় প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়, সেই খবরের ভিত্তিতে পুলিশ আসে ক্ষিতীশের বাড়িতে৷ পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে প্রথমে দরজা খুলতে পারেনি, পরে বাড়ির বারান্দা ও জানলা দিয়ে ভিতরে ঢুকে দেহ উদ্ধার করে৷
advertisement
আরও পড়ুন: 'রাতে ঘুম হয় না', রাজ্যের কোষাগারের হাড়ির হালে দুশ্চিন্তায় মমতা
পুলিশ জানিয়েছে, রক্তের মধ্যে পড়েছিল ক্ষিতীশের দেহ৷ অন্য দিকে তাঁর মায়ের দেহ পড়ে ছিল শৌচালয়ে৷ তার পরেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ৷ ঘটনাস্থলে মোট ৭৭ পাতার একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করে পুলিশ৷ সেখানেই স্পষ্ট জানা যায়, ক্ষিতীশ তাঁর মাকে খুন করেছিল বৃহস্পতিবার ও তাঁর পর, তিনদিন পরে, রবিবার সে আত্মহত্যা করে৷ তারপরেই দেহ উদ্ধার করে পুলিশ৷
