একদা নবাবের জেলা মুর্শিদাবাদ ।আর সেই ইতিহাসের আকর খনি হিসাবে দেশ বিদেশে নাম রয়েছে নবাব নগরী তথা বাংলা বিহার ওডিশার এক সময়ের রাজধানী মুর্শিদাবাদেরও। আজকে নবাব নেই রাজত্ব নেই, কিন্তু নাম ও সুনাম অর্জন করেছেন জিয়াগঞ্জের ভুমি পুত্র গায়ক অরিজিৎ সিং ।ইতিহাসের টানে প্রতি বছর প্রায় বহু পর্যটক মুর্শিদাবাদে পা রাখেন। তার মধ্যে বিদেশের পর্যটক রয়েছেন প্রায় অনেকগুন। দেশ বিদেশের পর্যটকরা লালবাগে পা রাখলেই তাঁদের অনেকে সঙ্গীত শিল্পীর টানে পৌঁছে যান লালবাগ থেকে পাঁচ কিমি দূরে জিয়াগঞ্জে।অরিজিৎ-এর পারিবারিক রেস্টুরেন্ট ‘হেঁশেল’-এ। সকাল এগারোটা থেকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত দেশ বিদেশের অতিথিদের সামলান অরিজিৎ সিংয়ের বাবা সুরেন্দ্র সিং ওরফে কাক্কা সিং এবং হোটেলের ম্যানেজার রাজু।
advertisement
আরও পড়ুন: সকালে ঘুম থেকে উঠলেই গোটা শরীরে ব্যথা! ক্লান্তি! কেন হয় জানেন? সাবধান
যদিও শহরে থাকলে মাঝে মাঝে পা রাখেন রেস্তারাঁতে অরিজিৎ নিজেও। তাই হেঁশেল-এ আগত অনেক অতিথিই যান কেশরিয়া গায়ককে দেখার আশায়। গায়ক অরিজিৎ-এর নামে খ্যাত এই রেস্তোরাঁর খাবারের দাম একেবারেই পকেটসই। হেঁশেল-এ রয়েছে পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ ছাড়। সোম থেকে শনিবার পড়ুয়াদের পরিবেশন করা হয় ৩০ টাকার ভেজ থালি। বর্তমানে মেনু তালিকা বাড়িয়ে ভেজ থালি ৪০ টাকা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সজনের ডাঁটার ইংরেজি কী? ৯৯ শতাংশ মানুষ ভুল উত্তর দিয়েছেন! এবার আপনার পালা!
পড়ুয়াদের মধ্যে পার্সেলের ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে গায়ক অরিজিৎ-এর হোটেলে যে একবার আসে বারবার তাকে আসতে হয় পাত পেরে চেটে পুটে খেতে। দৈনিক দুপুরে ভিড় জমান বহু ছাত্র ও ছাত্রীরা । কলেজের পাশেই অবস্থিত এই হেঁশেল। সেখানেই দুপুরে খাবার খেতে আসে কলেজের পড়ুয়ারা। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর থেকেই ভিড় জমে সাধারণ মানুষের। যদিও গায়ক অরিজিৎ কে দেখা যায়না এই হেঁশেলে। তবে পারিবারিক এই হেঁশেল আজকে খুব জনপ্রিয় করেছে আম জনতার কাছে।
কৌশিক অধিকারী





