এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী
ভারতীয় পানীয়টি কেবল সর্দি-কাশি এবং ফ্লু থেকে মুক্তি দেয় না, বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হাড়কে শক্তিশালী করতে, হজমশক্তি উন্নত করতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে। শীতকালে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রায়শই দুর্বল হয়ে পড়ে। রাতে ঘুমনোর আগে এই ভারতীয় পানীয়টি পান করা উচিত।
advertisement
এটি বাড়িতে তৈরি করা অবিশ্বাস্যরকম সহজ।
এটি তৈরি করতে, প্রথমে দুধ নিন এবং পছন্দমতো হলুদ এবং গুড় যোগ করুন। তারপর, এটি গ্যাসে গরম করুন। দুধের মতো একইভাবে গরম করুন। আপনি এটি কফির মতো পান করতে পারেন। স্বাদ চায়ের চেয়েও ভাল।
হলুদ এবং গুড় স্বাস্থ্যের এক ভান্ডার।
ভারতীয় রান্নাঘরে দুধ, গুড় এবং হলুদ সবই সাধারণ এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ উপাদান। দুধকে সকল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ বলে মনে করা হয়। গুড় আয়রন এবং খনিজ পদার্থের ভাণ্ডার, এবং হলুদকে আয়ুর্বেদের রানী বলা হয়। তবে, একসাথে খেলে এটি শরীরের উপর অলৌকিক প্রভাব ফেলতে পারে। এই দেশীয় পানীয়টি কেবল সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি দেয় না, বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হাড়কে শক্তিশালী করতে, হজমশক্তি উন্নত করতে এবং ত্বকের উন্নতি করতেও সাহায্য করে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, কিছু ব্যক্তির এটি খাওয়া উচিত, কারণ তাদের শরীরের এটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
হলুদের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, অন্যদিকে গুড় শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। দুধ এই উভয় উপাদান সরবরাহের জন্য একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
দুধ হাড় মজবুত করে। দুধ এবং হলুদে থাকা ক্যালসিয়ামের প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা হাড় এবং জয়েন্টের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। গুড়ে ফসফরাসও রয়েছে, যা হাড় মজবুত করে।
গুড় হজমশক্তি উন্নত করে। গুড় হজমকারী এনজাইমগুলিকে সক্রিয় করে এবং হলুদ পেট ফাঁপা কমায়। দুধ সুষম উপায়ে এই দুটি উপাদান সরবরাহ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং গ্যাস দূর করে।
গুড়ে আয়রন থাকে এবং দুধে প্রোটিন থাকে, যা শক্তি সরবরাহ করে। হলুদ প্রদাহ এবং ক্লান্তি কমায়।
হলুদ ত্বক উজ্জ্বল করে এবং ঘুমের উন্নতি করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে গুড় রক্ত পরিশোধন করে এবং দুধ শরীরকে শিথিল করে। রাতে এগুলো খেলে ভালো ঘুম হয় এবং ত্বক উজ্জ্বল হয়।
