এই ঝর্ণা কিন্তু সারা বছর দেখা যায় না। মুকুটমণিপুর কংসাবতী ড্যাম থেকে জল ছাড়া হলেই তৈরি হয় এই সাময়িক জলপ্রপাত। তাই একে অনেকেই বলেন “লিমিটেড এডিশন” ঝর্ণা। জল থাকলে তবেই তার পূর্ণ রূপ, আর জল বন্ধ হলেই আবার নিঃশব্দে হারিয়ে যায়। প্রকৃতির এই লুকোচুরি খেলাই ঝর্ণাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। তাড়াতাড়ি না এলে হয়ত এই সৌন্দর্য চোখে পড়ার আগেই মিলিয়ে যাবে।
advertisement
অধিকাংশ মানুষ এখনও জানেন না এই ঝর্ণার কথা। যারা জানেন, তাদের বেশিরভাগই স্থানীয় বাসিন্দা। বিকেলের দিকে পরিবার-পরিজন বা বন্ধুদের নিয়ে তারা আসছেন, কেউ ছবি তুলছেন, কেউ আবার ঝর্ণার জলে পা ডুবিয়ে বসন্তের আমেজ উপভোগ করছেন। দূরে দার্জিলিং বা পুরুলিয়া যাওয়ার দরকার নেই—একদম ঘরের কাছেই মিলছে ঝর্ণার স্বাদ।
আরও পড়ুন: বিষ্ণুপুরের পোড়ামাটির হাটে বসন্তের আমেজ, শান্তিনিকেতন না গিয়েও মিলবে উৎসবের স্বাদ
তবে স্থানীয়দের একটাই অনুরোধ—মানুষ আসুক, জায়গাটা চিনুক, কিন্তু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শান্তি যেন বজায় থাকে। প্লাস্টিক বা আবর্জনা ফেলে যেন এই প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট না হয়। জঙ্গলের নীরবতা, জলের শব্দ আর পাখির কলতান—এই মায়াবী পরিবেশটাই আসল সম্পদ।





