Herbal Plant: নামে বিষ, কাজে অমৃত! মৃগীরোগের খিঁচুনি কমাতে সঞ্জীবনী এই আগাছা কমায় চর্মরোগ, মুখের দুর্গন্ধ, কোষ্ঠকাঠিন্য!
- Published by:Arpita Roy Chowdhury
Last Updated:
Herbal Plant: রাস্তার ধারে, খোলা মাঠে বা ঝোপঝাড়ের মধ্যে সহজেই দেখা যায়, এই গাছটি তার আশ্চর্যজনক নিরাময় ক্ষমতার জন্য পরিচিত। বহু শতাব্দী ধরে, গ্রামীণ এলাকায় এটি ঘরোয়া প্রতিকারের একটি প্রধান উপাদান হিসাবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বিষমুষ্টির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর শিকড় থেকে পাতা পর্যন্ত প্রতিটি অংশই ঔষধি গুণে ভরপুর। আসুন আয়ুষ বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে এই সাধারণ দেখতে গাছটি গুরুতর রোগের বিরুদ্ধে একটি রক্ষাকবচ হিসাবে কাজ করে।
বিষমুষ্টি এমন একটি উদ্ভিদ, যাকে এর নামে সচরাচর চেনা যায় না। তবে, এটিকে প্রায়শই রাস্তার ধারে, খোলা মাঠে বা ঝোপঝাড়ের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়। এটি নানাভাবে উপকারী এবং প্রাচীনকাল থেকেই গ্রামে ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর বিশেষত্ব হল এর প্রতিটি অংশই উপকারী, যা এটিকে প্রাকৃতিক ও স্বল্প খরচের চিকিৎসার জন্য একটি মূল্যবান বিকল্প করে তুলেছে।
advertisement
আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ ইকবাল ব্যাখ্যা করেন যে, বিষমুষ্টিতে এমন উপাদান রয়েছে যা শরীরের কোষের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, যে কারণে এটি ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগেও সহায়ক বলে মনে করা হয়। তবে, এটি কোনো সরাসরি চিকিৎসা নয়; ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করলে ক্ষতিও হতে পারে, তাই সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি।
advertisement
advertisement
আজকাল গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেট ব্যথার মতো সমস্যা সাধারণ হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিষমুষ্টির ব্যবহারে আরাম পাওয়া যেতে পারে। এটি সেবনে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং পেট হালকা বোধ হয়। অনেকে এটিকে ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে গ্রহণ করেন, কিন্তু এর পরিমাণ সম্পর্কে সতর্ক থাকা খুব জরুরি, অন্যথায় এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে, তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এটি গ্রহণ করা উচিত নয়।
advertisement
advertisement
প্রাচীনকাল থেকেই মৃগীরোগের চিকিৎসায় বিষমুষ্টি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বাস করা হয় যে, এর পাতার রস নাকে দিলে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য হয়। তবে, এই পদ্ধতিটি সকলের জন্য নিরাপদ নয়, তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। বিষমুষ্টি পাতাও মুখের স্বাস্থ্যবিধির জন্য ব্যবহৃত হয়। এর জন্য প্রথমে পাতাগুলো ধুয়ে, তারপর সেদ্ধ করে সেই জল দিয়ে কুলি করতে হয়। এতে মুখের দুর্গন্ধ, ফোলা মাড়ি এবং দাঁত ব্যথার মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অনেকে এটিকে প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করেন; এটি একটি সহজ পদ্ধতি।
advertisement
বিষমুষ্টি যেমন উপকারী, তেমনি ভুলভাবে ব্যবহার করলে ক্ষতিকরও হতে পারে। কারণ এই গাছের কাঁচা বীজে আছে সাঙ্ঘাতিক স্ট্রিকনিন বিষ। তাই শোধন না করে ব্যবহার বর্জনীয়। একজন আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতোই ব্যবহার করতে হবে। এর সঠিক মাত্রা এবং সঠিক পদ্ধতি জানা অত্যন্ত জরুরি। প্রতিটি রোগে এর ব্যবহার ভিন্ন, তাই একজন আয়ুর্বেদ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই এটি ব্যবহার করা ভাল, যাতে উপকারের পরিবর্তে কোনও সমস্যা না হয়।






