আমরা প্রায়ই আমাদের প্রতিদিনের বোতলে একই জল দুই বা তিন দিনের জন্য রেখে দিই। এই অভ্যাস ক্ষতিকারক হতে পারে। পুরনো বা নোংরা বোতলে জীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়, যা পেট ব্যথা, বমি, ডায়রিয়া বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই, প্রতিদিন বোতলটি বিশুদ্ধ জল দিয়ে ভরে রাখা এবং নিয়মিত বোতলটি ধোয়া গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
আয়ুর্বেদ স্বাস্থ্যের জন্য বিশুদ্ধ ও মিষ্টি জলের গুরুত্বের উপরও জোর দেয়। আয়ুর্বেদ অনুসারে, অপরিষ্কার জল শরীরে দোষের ভারসাম্যহীনতা বাড়াতে পারে এবং হজমশক্তি দুর্বল করতে পারে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপরও প্রভাব ফেলে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা প্রতি ৬ থেকে ১২ মাস অন্তর প্লাস্টিকের বোতল বদলানোর পরামর্শ দেন। যদি কোনও বোতল থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে, দাগ বা আঁচড় দেখা দেয়, তাহলে তা অবিলম্বে বদলানো উচিত। বোতলটি প্রতিদিন সাবান এবং উষ্ণ জল দিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিষ্কার করা উচিত, অথবা অন্তত প্রতি দুই থেকে তিন দিনে একবার।
আরও পড়ুন : সাবধান! ভুলেও চিকেনের এই টুকরোগুলি খাবেন না! সর্বনাশ হয়ে বারোটা বাজবে শরীরের
আজকাল স্টেইনলেস স্টিল এবং কাচের বোতলও পাওয়া যায়। এই বোতলগুলিকে প্লাস্টিকের বোতলের তুলনায় নিরাপদ বলে মনে করা হয়, কারণ এগুলিতে ব্যাকটেরিয়া থাকার সম্ভাবনা কম। তাছাড়া, এগুলিতে সংরক্ষিত জল দীর্ঘ সময়ের জন্য তাজা থাকে। মনে রাখবেন, পানীয় জল যথেষ্ট নয়; এটি একটি সঠিক এবং পরিষ্কার বোতলে সংরক্ষণ করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি সামান্য অবহেলাও আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে।
