আজও সারা বাংলার মানুষ মহামারী’র সেই ভয়ানক অভিজ্ঞতা মনে করলে আঁতকে ওঠেন। ভাই মহামারীর সময় গ্রামের পর গ্রাম উজার হয়েছে। কোন কিছুতেই থামছিল না মৃত্যু মিছিল। সেই সময়ের মড়ক দেখা দিয়েছেল হাওড়ার খসমড়া গ্রামেও। গ্রাম জুড়ে সর্বত্রই মৃত্যুর সংবাদ, গ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মৃত দেহ জড়ো হত গ্রামের এক প্রান্তের জঙ্গলময় স্থানে। খসমড়া গ্রামের মানুষের মুখে সেই স্থান সাঁইপোতা নামকরণ।
advertisement
সেই সময় থেকে মানুষের মনে আতঙ্ক, সাঁইপোতা নাম শুনলেই আঁতকে উঠতো ৮ থেকে ৮০ বয়সের মানুষ। সেই সাঁইপোতা এখন মানুষের ভয়ের নয়। মানুষ আতঙ্ক ভুলে, এখানে মন ভাল করতে হাজির হয়। গ্রামবাসীর মনেও নেই কোন ভয়। যত দিন গড়াচ্ছে সারা বছর মানুষের উপস্থিতি বেড়ে চলেছে।
গ্রামের মানুষের কথায়, স্থান একসময় আতঙ্কের হলেও বর্তমানে গ্রামের মানুষ পার্শ্ববর্তী গ্রামের মানুষের দারুণ পছন্দের একটি স্থান। এই স্থানে রয়েছে কয়েক শতাব্দী প্রাচীন মন্দির। বিভিন্ন অনুষ্ঠান আরাধনকে কেন্দ্র করে সারা বছর নানা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মানুষের উপস্থিতি।
রাকেশ মাইতি





