ম্যানগ্রোভ, নদীর বাঁক, বন্যপ্রাণের রোমাঞ্চ, পাখির কলতান… সব মিলিয়ে অজানা রহস্যের গন্ধমাখা সুন্দরবন! কাজেই, আর দেরি না করে ব্যাগ গুছিয়ে রওনা দিন প্রকৃতির রাজত্বে… জোয়ারের প্রতিটি বাঁক জীবনের গল্পে একটি নতুন অধ্যায় প্রকাশ করে।
প্রথম দিন কোথায় কোথায় যাবেন– সোনাখালি থেকে লঞ্চ ছাড়বে! সেখান থেকে যাবেন গোসাবা, হ্যামিল্টন বাংলো ,রবীন্দ্রনাথ টেগোর বাংলো, পাখির জঙ্গল এবং পাখিরালয়ে রাত্রিবাস।
advertisement
দ্বিতীয় দিন কোথায় যাবেন–সজনেখালি ওয়াচ টাওয়ার, সুধন্যখালি ওয়াচ টাওয়ার, পীর খালি, গাজিখালি ,চোরাগাজীখালি, দোবাঁকি ওয়াচ টাওয়ার ঘুরে আবার পাখিরালয়ে রাত্রি বাস।
তৃতীয় দিন কোথায় যাবেন–সাগর মোহনা, পঞ্চমুখানী, ঝড়খালি টাইগার রেসকিউ সেন্টার।
ক্যানিং বা গোসাবা থেকে জলপথে যাত্রা শুরু হয়, নামখানা ও সোনাখালি থেকেও যাওয়া যায়।ম্যানগ্রোভের মধ্যে দিয়ে নৌকায় ঘুরে বেড়ানো, বাঘের পাশাপাশি কুমিরমারীর মতো জায়গায় নিখাদ গ্রাম্য জীবনের অভিজ্ঞতা, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, ডলফিন, কুমির এবং বিভিন্ন পাখির দেখার অভিজ্ঞতা বলে বোঝানো যায় না। সুন্দরবন ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট, যেখানে পরিবেশ সংরক্ষণের উপর জোর দেওয়া হয়। ঘুরে দেখা যায় সজনেখালি, সুধন্যখালি, নেতিধোপানির মতো জায়গা! সব মিলিয়ে রোজের ব্যস্ত রুটিন থেকে একটু ব্রেক নিয়ে মাত্র ২ রাত-৩ দিনে ঘুরে আসতে পারেন প্রকৃতির স্বর্গরাজ্য থেকে।





