নতুন বছরের শুরুতেই বিভিন্ন সৈকতশহরে যে অনুষ্ঠান হয়, তার বদলে বাংলার সংস্কৃতির ধারা সকলের সামনে তুলে ধরতে এই গঙ্গারতির ব্যবস্থা করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বকখালিতে প্রচুর পর্যটক আসেন। সকলের কথা ভেবে এই অনুষ্ঠান।
প্রবল ভক্তি ও উৎসাহ নিয়ে প্রতিবছর এই দিনটিকে এভাবে পালন করার পরিকল্পনা নিয়েছেন উদ্যোক্তারা। বকখালিতে গঙ্গারতি একটি সুন্দর ও অদ্ভুত মুহূর্তের সৃষ্টি করেছিল। প্রচুর মানুষজন সেই দৃশ্য একসঙ্গে দেখেছেন।
advertisement
গঙ্গাসাগরের মত বকখালিতেও হুগলি নদীর প্রবাহ এসে সাগরে মেশে। অপরদিকে গঙ্গাসাগর মেলা রয়েছে আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পর। সেই মেলা উপলক্ষে কলকাতার বাবুঘাট থেকে বজবজ, ফলতা হয়ে ডায়মন্ড হারবার, কাকদ্বীপ হয়ে সাগর পর্যন্ত এইরকম গঙ্গারতির আয়োজন করা হবে।
তার আগে বকখালির এই গঙ্গারতি নজর কেড়েছে সকলের। এরপর থেকে এই পুজো ও গঙ্গারতি চলবে প্রতিবছর। সাধারণ মানুষজনের মধ্যে এই নিয়ে বিপুল উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে। বকখালির গঙ্গারতির সূচনা সমস্ত কিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে। হাজার হাজার পর্যটকের সামনে মায়াবী মুহূর্তে এক অদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল সেখানে। এই গঙ্গারতি নজর কেড়েছে সকলের।





