নিয়মিত প্রোটিন পাউডার খেলে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখা প্রয়োজন।
কেন প্রোটিন পাউডার গুরুত্বপূর্ণ?
প্রোটিন পাউডারে ব্রাঞ্চড-চেইন অ্যামিনো অ্যাসিড (BCAA) যেমন লিউসিন, আইসোলিউসিন ও ভ্যালিন থাকে, যা পেশি গঠনে সাহায্য করে। এটি শরীরের টিস্যু মেরামত করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সমর্থন করে এবং শরীরচর্চার পর দ্রুত পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।
advertisement
কতটা প্রোটিন প্রয়োজন?
প্রোটিনের চাহিদা নির্ভর করে শরীরের ওজন, পেশির পরিমাণ ও শারীরিক অবস্থার উপর।
• সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে দৈনিক প্রতি কেজি ওজনের জন্য প্রায় ১ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন।
• বেশি বিপাকীয় চাপের পরিস্থিতিতে তা ১.৫ গ্রাম প্রতি কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
• ডায়ালিসিসে থাকা কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে প্রায় ১.২ গ্রাম প্রতি কেজি।
• ডায়ালিসিসে না থাকা কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত ০.৬ থেকে ০.৮ গ্রাম প্রতি কেজি, পেশির অবস্থার উপর নির্ভর করে।
প্রোটিন পাউডার মূলত খাদ্যতালিকার ঘাটতি পূরণ করতে ব্যবহৃত হয়, সম্পূর্ণ খাবারের বিকল্প হিসেবে নয়।
আর্টস নিয়ে পড়েছেন? কী ভাবে রোজগার করবেন ‘মোটা টাকা’? এই ৮ পেশার যে কোনও একটা বেছে নিন!
‘সাত সমুদ্র পেরিয়ে তোমায় অনুসরণ করেছি’! রাঁচির কনে ও জার্মানির বরের প্রেম কোথায় গড়াল জানেন?
প্রোটিন পাউডার সাপ্লিমেন্ট হিসেবে নিচ্ছেন? এই ৫টি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন
কী এড়াবেন?
সাধারণত সঠিক মাত্রায় প্রোটিন পাউডার নিরাপদ। তবে অতিরিক্ত চিনি, কৃত্রিম মিষ্টি বা অজানা ভেষজ উপাদান রয়েছে এমন সাপ্লিমেন্ট এড়ানো উচিত। শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্রোটিন পাউডার না দিয়ে ছোলা, ডাল, মটরশুঁটির মতো প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রোটিন দেওয়া শ্রেয়।
খাদ্যতালিকায় কী ভাবে অন্তর্ভুক্ত করবেন?
• স্মুদি: ফল, সবজি ও দুধ বা উদ্ভিজ্জ দুধের সঙ্গে এক স্কুপ মিশিয়ে।
• জলখাবার: ওটমিল, পোরিজ, দই বা ওভারনাইট ওটসে মিশিয়ে।
• রান্না ও বেকিং: প্যানকেক, মাফিন, রুটি বা ঘরে তৈরি এনার্জি বারে মিশিয়ে।
• শরীরচর্চার পর: ব্যায়ামের পরে জল বা দুধে মিশিয়ে খেলে পেশি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।
কখন খাবেন?
প্রোটিন পাউডার খাওয়ার নির্দিষ্ট কোনও “সেরা সময়” নেই। সময়ের চেয়ে নিয়মিত গ্রহণই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সকাল, সন্ধ্যা বা শরীরচর্চার আগে বা পরে—যে কোনও সময় নেওয়া যেতে পারে। সারকথা, প্রোটিন পাউডার ফিটনেস ও স্বাস্থ্যের লক্ষ্যে পৌঁছতে সহায়ক হতে পারে, তবে সঠিক পরিমাণ, নিরাপদ উপাদান ও নিয়মিত ব্যবহারের দিকে নজর রাখা জরুরি। নির্দিষ্ট সময় নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হওয়ার চেয়ে সচেতন ও সুষম গ্রহণই বেশি কার্যকর।
